এখনও ফেব্রুয়ারি শেষ হয়নি। এখন হিসাব অনুযায়ী বসন্ত ঋতু। কিন্তু সেই ঋতুর কোনও আভাস নেই রাজ্যে। এখনই দিনের বেলা বাইরে বেরোলে তাপে নাজেহাল হওয়ার জোগাড়। পাখার ডিউটি আবার শুরু হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। এরই মধ্যে আশঙ্কার খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মার্চ মাসেই তাপমাত্রার পারদ পৌঁছে যেতে পারে ৩৫ ডিগ্রিতে
আজ, রবিবার সকালের দিকে আকাশ আংশিক মেঘলা ছিল বটে তবে পরে আকাশ পরিষ্কার হয়। এদিন সকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.১ ডিগ্রি। গতকাল, শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৫ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৩৯ থেকে ৯৪ শতাংশ।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, মার্চ মাসের শুরুতেই কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলির তাপমাত্রা বেশ বাড়তে পারে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে পূবালী হাওয়া ও পশ্চিমের বাতাস বইবে বলে জানা গিয়েছে। জেলার দিকে এখনও রাত ও খুব সকালের দিকে খুবই হালকা শীতের আমেজ থাকতে পারে। রাত ও সকালের দিকে কলকাতা ও কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় তাপমাত্রা মনোরমই থাকবে। আগামী ৪-৫দিনে তাপমাত্রা কমার কোনও সম্ভাবনা নেই।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গে না হলেও, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী কয়েকদিন দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টি হলেও হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তবে তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের হবে না। উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা আগামী কয়েকদিন স্বাভাবিক বা তার উপরেই থাকবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার নতুন করে রাজ্যে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে। বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এর জেরে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। ফেব্রুয়ারির শেষ ও মার্চের শুরুতে হিমাচলপ্রদেশ ও কাশ্মীর উপত্যকায় তুষারপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে খবর।





