গুরুতর অসুস্থ ছিলেন অভিনেতা পার্থ সারথি দে (Partha Sarathi Dey)। বাংলা ছবি ও টেলিভিশনের জগতের পরিচিত নাম তিনি। গত একমাস ধরে তিনি ভর্তি ছিলেন কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে। ইন্ডাস্ট্রিতে ৪০ বছর পার করেছেন তিনি। তাঁর অসুস্থতা সকলকে চিন্তায় ফেলেছিল। তাঁকে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। সব লড়াই শেষ হয়ে গেল শুক্রবার রাতে। পরলোক গমন করেছেন পার্থসারথি দেব। আজ বেলা বারোটার সময় টালিগঞ্জের টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নিয়ে আসা হয় তাঁকে।সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান হরনাথ চক্রবর্তী, বোধিসত্ত্ব মজুমদার, কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায়, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়রা।
একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন পার্থবাবু। ২০০-র বেশি ছবিতে অভিনয় করেছন। চার দশকেরও বেশি দীর্ঘ তাঁর অভিনয় জীবন। ‘চুনী-পান্না’, ‘জয়ী’, ‘মিঠাই’-এর মতো জনপ্রিয় মেগাতেও নিজের অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখেছেন প্রবীণ অভিনেতা। তাঁর অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন সহকর্মীরা। এর আগে ২০২১ সালেও অসুস্থ হয়ে হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, সেইসময় তিনি করোনা আক্রান্ত হন।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সিওপিডির সমস্যায় ভুগছিলেন অভিনেতা। তাঁর নিউমোনিয়াও ধরা পড়েছিল। তা থেকেই বুকে সংক্রমণ ছড়ায়। টেকনিশিয়ানে স্টুডিওতে কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “চিকিৎসকরা তো বলেন টানা ভেন্টিলেশনে থাকার পর তো একটা মানুষের শরীরে আর কিছুই থাকে না।”
‘এক্স’ হ্যান্ডেলে তাঁর প্রতি শোকপ্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, “বিশিষ্ট অভিনেতা পার্থসারথি দেবের প্রয়াণের এই খবর দুঃখজনক।” শিল্পীর পরিবার, বন্ধু ও অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনাও জানান তিনি।

মানুষ হিসেবে পার্থসারথি দেবের কথা স্মরণ করেন বোধিসত্ত্ব মজুমদার, রাজীব বসুরা। পার্থসারথি দেবের সঙ্গে ছোটবেলায় কাজ করার স্মৃতি সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন রাহুল। এমনকি, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে যান তিনি। পার্থসারথি বাবুর সঙ্গে ছবি শেয়ার করে খরাজ মুখোপাধ্যায় লেখেন, “এত স্মৃতি, এত ফেলে আসা সময়, এত গল্প, এত গান…সব ফেলে চলে গেলে দাদা ? যেখানেই থাকো, ভালো থেকো দাদা”।
বহু সিনেমায় পার্থসারথি দেবের সঙ্গে কাজ করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অভিনতার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করে সোশাল মিডিয়ায় তিনিও ছবি শেয়ার করেছেন।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার