The President of TMC was caught stealing oil: দুর্নীতির (corruption) কোন মাপকাঠি নেই। লাখ লাখ বা কোটি টাকার দুর্নীতি না হলে সেটাকে নাকি দুর্নীতি বলাই যায় না। এবার সরকারি গাড়ির তেল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পরল এক ব্যক্তি। তবে যে সে ব্যক্তি নন, তিনি মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের তৃণমূলি সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা (Rubiya Sultana)। রুবিয়া সুলতানা সরকারি গাড়ির তেল চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। হাতেনাতে ধরা পড়ে তৃণমূলি সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা প্রায় তিন লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছেন (The President of TMC was caught stealing oil)। রুবিয়া সুলতানা (Rubiya Sultana) দাবি এটা কোন দুর্নীতি (corruption) নয়।
সম্প্রতি রুবিয়া সুলতানের (Rubiya Sultana) বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ির ডিজেল চুরির (corruption) অভিযোগ ওঠে। তার দলের জেলা পরিষদের সদস্য শেহনাজ বেগম অভিযোগ করেন, নিজের গাড়ির জন্য ৩ হাজার ১৭৮ লিটার ডিজেল খরচ বেশি দেখিয়েছেন সভাধিপতি। এই ডিজেলের দাম প্রায় ২ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা। এই তেলে প্রায় ২৫ হাজার কিলোমিটার গাড়ি চলতে পারে। হাতেনাতে ধরা পড়ে যাওয়ার পরই তেল চুরির টাকা জেলা পরিষদের তহবিলে ফেরত দিয়েছেন সভাধিপতি (The President of TMC was caught stealing oil)। এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলাশাসক।
জানা গেছে, জেলা পরিষদের বাজেটে দেখা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ৬ হাজার লিটার ডিজেল খরচ করেছেন রুবিয়া সুলতানা (Rubiya Sultana)। মার্চ মাসে জেলা পরিষদের হিসাবরক্ষকের কাছ থেকে সব অভিযোগ স্বীকার করেন। ওই সময় ব্যক্তিগত কাজে দুটি গাড়ি ব্যবহার করেছেন। তার জন্য অতিরিক্ত ৩ হাজার ১৭৮ লিটার তেল খরচ হয়েছে (The President of TMC was caught stealing oil)।
এই ঘটনায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রুবিয়া সুলতানা (Rubiya Sultana) বলেন, “ব্যক্তিগত কারণে অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করেছিলাম। অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করলে টাকা ফেরত দেওয়া যায়।”
এরপর অভিযোগকারিনী শেহনাজ বেগমকে আক্রমণ করে তিনি (Rubiya Sultana) বলেন, “ও দলে কোনঠাসা। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে প্রচারে থাকতে চাইছে। একটা মামুলি ব্যাপার নিয়ে শুধুশুধু হইচই করছে। এটা কোনও ব্যাপারই নয়। লাখ-লাখ কোটি-কোটি টাকার দুর্নীতি (corruption) ধরতে পারলে বুঝতাম” (The President of TMC was caught stealing oil)।





