‘৩০টা আসন জিতলেই ২৬-এ নয়, ২৪-এ বিধানসভা ভোট হবে, মমতা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হবে’, বরানগর থেকে হুঙ্কার শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari made a challenge: চলছে লোকসভা নির্বাচন। আগামীকাল, ২৫ মে ষষ্ঠ দফার ভোট রয়েছে। এই মুহূর্তে সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরাই ব্যস্ত ভোট প্রচারে। বিপক্ষকে মাত দিতে প্রস্তুত সকলেই। একে অপরকে শানাতে কসুর করছেন না কেউই। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু অধিকারী। এই বছরই মমতাকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করার পণ নিলেন তিনি (Suvendu Adhikari made a challenge)।  

গতকাল, বৃহস্পতিবার বরানগরে বিধানসভা উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের সমর্থনে সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সভা থেকেই নানান প্রসঙ্গে তৃণমূল ও মমতাকে দাগেন তিনি (Suvendu Adhikari made a challenge)। এদিন তাঁর বক্তব্যে যেমন উঠে এল নিয়োগ দুর্নীতির কথা, তেমনই আবার জায়গা গেল সজল ঘোষের লড়াকু মনোভাবের কথাও।

শুভেন্দু এদিন বক্তব্যের শুরুতেই টেনে আনেন তাপস রায়ের প্রসঙ্গ। বলেন, “তাপস রায় তৃণমূলকে বাই বাই জানিয়েছে। পিসি ভাইপোর কোম্পানি ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। তাপস রায় যেখান থেকে মোকাবিলা করছেন, তিনি জিতবেন সেখান থেকে”। শুভেন্দুর কথায়, “তাপস রায় দিল্লি যাচ্ছেন”।

শুভেন্দুর কথায়, “আমি বিধানসভায় কিছু বলতে গেলেই আমাকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়। আমাকে বসিয়ে দেওয়া হয়। কেন বলব না? ২০১১ সালে পরিযায়ী শ্রমিক ছিল ৫ লাখ আর এখন হয়েছে ৫৫ লাখ। নথিভুক্ত বেকার আগে ছিল ১ কোটি আর এখন হয়েছে ২ কোটি। রাজ্যের ঋণ ২০১১-তে ছিল ১ লাখ ৯৮ হাজার কোটি আর এখন হয়েছে ৬ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। একটা শিশু পশ্চিমবঙ্গে জন্মালে, সে ৬৪ হাজার টাকার ঋণ নিয়ে জন্মায়” (Suvendu Adhikari made a challenge)।  

এদিন সজল ঘোষের ভূয়সী প্রশংসাও শোনা যায় শুভেন্দুর মুখে। বলেই দেন, “আমার বিধানসভায় সজল ঘোষকে দরকার। লড়াইটা তো দেখেন সবাই। আমাকে বারবার সাসপেন্ড করে দেয়। আমার সাথীরা মনোজ টিগ্‌গা, অগ্নিমিত্রা পাল এরা সবাই দিল্লি যাচ্ছে সাংসদ হয়ে। তাই আমার লড়াকু সাথী দরকার যে ছাত্র রাজনীতির সময় থেকে লড়াই করেছে”।  

এরপরই শুভেন্দুর হুঙ্কার, “৪ তারিখ যদি ৩০টা পদ্ম ফোটে (বিজেপি যদি ৩০টা আসন পায়), তাহলে আমি কথা দিচ্ছি, ২৬-এ নয়, ২৪-এ ভোট হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হবেন” (Suvendu Adhikari made a challenge)।  

RELATED Articles