রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে প্রতিদিন নানান ধ’র্ষ’ণের ঘটনার খবর উঠে আসছে। ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ পাওয়ার পর তার সত্যতা যাচাই করতে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। এবার আজ, শনিবার রাজ্যে তিনটি ধ’র্ষ’ণের খবর মিলল। এর মধ্যে একটি দার্জিলিং ও অপর দুটি দক্ষিণ ২৪ পরগণা থেকে।
জানা গিয়েছে, গতকাল, শুক্রবার সন্ধ্যায় দার্জিলিংয়ের মকাইবাড়ি এলাকায় এক রক্তাক্ত সংজ্ঞাহীন মহিলাকে উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা। স্থানীয়রা এরপর পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ অইইও মহিলাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর খবর দেওয়া হয় মহিলার পরিবারকে।
জানা গিয়েছে, ওই মহিলা পেশায় আশাকর্মী। সেদিন টাকা তুলতে বেরিয়েছিলেন তিনি। আর ফেরার পথে নৃশংস ঘটনা ঘটে তাঁর সঙ্গে। নির্যাতিতার পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে যে বাড়ি ফেরার পথে গাড়িতে তাঁকে ধ’র্ষ’ণের চেষ্টা করা হয়। নির্যাতন থেকে বাঁচতে তিনি চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দেন।
এই ঘটনার তদন্তে নেমে দুজনকে গ্রেফতার করেছে দার্জিলিং জেলা পুলিশ। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। বর্তমানে শিলিগুড়ির এক বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই নির্যাতিতা।
এদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড়ে কাকিমাকে ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ উঠল ভাসুরপোর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙড়ের ২ নম্বর ব্লকের কাশিপুর থানার অন্তর্গত শোনপুর মেটো আটি এলাকায়। জানা গিয়েছে, গত বুধবার রাতে খাওয়াদাওয়া সেরে শৌচকর্ম করতে যান ওই মহিলা। সেই সময় তাঁর মুখ চেপে ধরে পরিত্যক্ত জঙ্গলের ভিতর নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধ’র্ষ’ণ করা হয়।
মহিলার অভিযোগ, তিনি বুঝতে পারেন যে ওই যুবক আসলে তাঁর নিজের ভাসুরপো মিজানুর মোল্লা ওরফে ভুট্টা মোল্লা। এই বিষয়টি যাতে জানাজানি না হয়, এর জন্য কাকিমাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার টোপ দেয় অভিযুক্ত। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি হননি ওই মহিলা। তাই কাকিমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় অভিযুক্ত ভাসুরপো। এই ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার কাশিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করে নির্যাতিতা। অভিযোগ পাওয়ার পরই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।
এদিন আবার দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার কুলপি থেকেও একটি ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ আসে। কুলপির দাসপুরের বাসিন্দা এক মাঝবয়সী মহিলা পুলিশে অভিযোগ জানান যে বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে এক প্রতিবেশী যুবক তার উপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। অভিযোগ পাওয়ার পর মহিলার মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।





