বিজেপির মিছিলে হামলাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর! ঝরল রক্ত

আজ কাঁথিতে সভা ছিল তৃণমূলের। যেখান থেকে আগুনে বক্তৃতা দিয়েছেন সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিমরা। কিন্তু আজ কাঁথিতে তৃণমূলের মিছিলের আগে ছিল বিজেপির মিছিল। আর সেই মিছিলেই ঘটল রক্তারক্তি কান্ড। উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর থানা এলাকা।

প্রসঙ্গত আজ, বুধবার বেলার দিকে রামনগরের লালুপুর থেকে দেপাল পর্যন্ত একটি মিছিলের আয়োজন করে বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্ব। আর সেই মিছিলকেই পিছন থেকে আক্রমণ করা হয়।

যথারীতি ভোটের আবহে এই হামলার পিছনে তৃণমূলীদের হাত দেখছে বিজেপি শিবির। মিছিলে হামলা এবং পথ অবরোধের খবর পেয়ে রামনগর থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতৃত্বকে আশ্বাস দেওয়া হয়, দ্রুত দুষ্কৃতীদের ধরার ব্যবস্থা করা হবে। প্রায় ৪৫ মিনিট অবরোধ চলার পর তা তুলে নেওয়া হয়। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অনুপ চক্রবর্তীর দাবি, তৃণমূলের পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে গিয়েছে। তাই বিজেপির কর্মীদের উপর এ ভাবে হামলা চালাতে হচ্ছে।

গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ,দুষ্কৃতীদের ছোড়া ইটের আঘাতে মাথা ফেটেছে তাঁদের এক কর্মীর। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় রামনগর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এ ছাড়াও হামলায় আরও জনা দশেক বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন। এই ঘটনার পরেই দেপালে কলেজ মোড়ের কাছে রাস্তা অবরোধ করে বিজেপি।

অনুপ চক্রবর্তী আর‌ও অভিযোগ, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এই এলাকায় কয়েক জন বিজেপি নেতার উপর হামলা চালানো হয়। তারই প্রতিবাদে বুধবার হাজার হাজার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে পথে নামেন তাঁরা। মিছিলের উপর রড, লাঠি, ইট নিয়ে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার জন্য তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের হাত থাকার পাশাপাশি পুলিশের বিরুদ্ধেও নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

তবে যথারীতি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সমস্ত দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি জানান, “আমরা কেন হামলা করব! আমরা চাইলে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করব।” তাঁর দাবি, এই এলাকায় বিজেপির শক্তি নগণ্য। নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল চূড়ান্ত।

RELATED Articles