কিছুদিন আগেই রাজ্যের ১০৮টি পুরসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি একটিও পুরসভা দখল করতে পারেনি। ভোটের সংখ্যার নিরিখে বামেদেরও পিছনে তারা। রাজ্যের জেলায় জেলায় উড়েছে সবুজ আবির। কিন্তু তা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত বাঁকুড়ায় পুরবোর্ড গঠন করতে পারেনি তৃণমূল।
সূত্রের খবর বাঁকুড়া জেলার বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, সোনামুখী পুরসভাগুলিতে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল পদ নিয়ে তৈরি হয়েছে নিজেদের মধ্যেই দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় রয়েছেন প্রাক্তন একাধিক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এমনকি প্রাক্তন বিধায়কও। পদ পেতে সকলেই নিজেদের মতো করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।
এই দ্বন্দ্ব কাটিয়ে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানের পদে কে বসবেন, তা স্থির করতে বেশ ধন্দে পড়তে হয়েছে বাঁকুড়া জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে। তবে ক্যামেরার সামনে জেলাশাসক দোলের নেতারা বলেছেন যে ১০৮টি পুরসভায় কে কোন পদে বসবেন, তা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই স্থির করবেন।
এই বিষয়ে বাঁকুড়া তৃণমূল টাউন কমিটির সভাপতি সিন্টু রজক বলেন, “আসলে এই পদগুলি কে পাবেন তাই নিয়ে একটু সময় লাগছে। কারণ সবটাই ঘোষণা করবেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খুব শীঘ্রই বাঁকুড়া পৌরসভার পদ কে পাচ্ছেন ঘোষণা করা হবে। আসলে গোটা রাজ্যের বিষয়। তাই হয়ত কিছুটা সময় লাগছে। তবে আশা করছি দু’একদিনের মধ্যে সবটা ঘোষণা করা হবে”।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়ায় পুরসভার পর উঠেছে সবুজ ঝড়। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, সোনামুখী এই তিন আসনেই বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে। এই তিন পুরসভার মোট ৫৮টি আসনে শুধুমাত্র দুটি আসন পেয়েছে পদ্ম শিবির। অনেক আসনে তারা আবার দ্বিতীয় স্থানেও নেই।
তবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে আবার বাঁকুড়ার জোড়া আসনে ফুটেছিল পদ্ম। একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও সেই ধারা অব্যাহত রেখে আসন ধরে রাখতে পেরেছিল বিজেপি। কিন্তু মাত্র কয়েকমাসের ব্যবধানেই রাজনীতির অঙ্ক সম্পূর্ণ পাল্টে গেল।





