বন্দুক উঁচিয়ে তৃণমূলের নেতা তাড়া করছেন দলের কর্মীকে! ভিডিও দেখে হতবাক সকলে!

এ যেন গো বলয়ের কোন গ্যাং ওয়ারের দৃশ্য! নিজের দলের কর্মীকেই বন্দুক উঁচিয়ে গুলি করতে যাচ্ছে দলের অন্য সদস্য! না এই ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশে নয়, ঘটেছে বাংলার মুর্শিদাবাদে!
মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ডোমকলের রঘুনাথপুর এলাকায় গতকাল রীতিমতো বন্দুক উঁচিয়ে তৃণমূলের(TMC) দুষ্কৃতী বাহিনী বুথ সভাপতির নেতৃত্বে গুলি (Shoot out) চালাল দলের অন্য সদস্যকে! দিনের আলোয় প্রকাশ্যে এই ঘটনা ঘটায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আনোয়ার সাইদ জনি নামে এক তৃণমূল কর্মী গুরুতর জখম হয়ে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। তার পরিবার ডোমকল থানায় রবিবার সন্ধ্যাবেলা নয়জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মী পেশায় ব্যবসায়ী আনোয়ার এর সঙ্গে অন্য তৃণমূল কর্মী আরেক ব্যবসায়ী পিন্টুর পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ফুটপাতের ওপর আনোয়ারের দোকানের চাল কোন দিকে থাকবে সেই নিয়ে বিবাদের সূত্রপাত!

রবিবার সেই ঝামেলা বাড়তে বাড়তে রীতিমতো ঘোরালো হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। আনোয়ার এর উপর প্রতিশোধ নিতে পিন্টু পার্শ্ববর্তী বাবলাবোনা গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজ্জাক শেখ সফতারের সহকারী আসাদুল শেখ ও তার দলবলকে ডেকে আনে।পিন্টুর নির্দেশ অনুযায়ী তারা এলাকায় গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। পরপর ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়া হলে গুলিবিদ্ধ হয় আনোয়ার। এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অবস্থা বেগতিক দেখে রাজ্জাক ও তার দলবল শূন্যে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালায়।

যদিও মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব গোটা ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেছেন। মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল সাংসদ ও জেলা তৃণমূল সভাপতি আবু তাহের খান বলেন, গোটা ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোন যোগ নেই। এটা পারিবারিক বিবাদ। যদিও বিরোধীরা সেই কথা মানতে নারাজ। তাদের বক্তব্য, নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই শেষ হতে চলেছে সবুজ শিবির।

RELATED Articles

Leave a Comment