বড় দুঃসংবাদ ঘাসফুল শিবিরে! গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ আগুন, জলসে গেলেন তৃণমূলের শাহজাহান

চা খেতে গিয়েই বাঁধল বড় বিপত্তি। গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ আগুন। এর জেরে ঝলসে গেলেন তৃণমূল নেতা শাহজাহান। শনিবারের সকালেই বড় দুঃসংবাদ এল ঘাসফুল শিবিরের জন্য। গুরুতর জখম অবস্থায় শাহজাহানকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।

বিগত কয়েকদিন ধরেই বঙ্গ রাজনীতিতে বেশ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে এই শাহজাহান নামটা। সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’কে নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে সন্দেশখালির এই ‘বাঘ’কে খাঁচা বন্দী করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। তা নিয়ে চর্চা চলছেই। এরই মধ্যে এল আরও এক খবর।

এই গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের ধুলিয়ানে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ধুলিয়ান পৌরসভার কাউন্সিলর শাহজাহান মহলদার। না, এই শাহজাহান সন্দেশখালির শেখ শাহজাহান নন। তবে আগুনে ঝলসে বেশ আশঙ্কাজনক অবস্থা শাহজাহান মহলদারের।

কীভাবে ঘটল এই ঘটনা?

জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে সামসেরগঞ্জ ধুলিয়ান শিব মন্দির এলাকায় গিয়েছিলেন এই তৃণমূল কাউন্সিলর। ওই এলাকার একটি চায়ের দোকানে যান তিনি। তাঁর সঙ্গে আরও কিছু লোকজন ছিল। চায়ের দোকানে বসেই কথাবার্তা বলছিলেন তারা। এই সময়ই ঘটে যায় বিপত্তি।

দোকানের কর্মী চা বানাতে গেলেই আচমকাই এক বিকট শব্দ হয়। ফেটে যায় দোকানের গ্যাস সিলিন্ডার। দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে সবকিছু। গ্যাস সিলিন্ডার ফাটার শব্দকে অনেকে বোমা ফাটার শব্দ ভেবে বসেন। এলাকায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়ায়।

এই ঘটনায় গুরুতর জখম হন তৃণমূল কাউন্সিলর শাহজাহান মহলদার। আহত হয়েছেন তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজনও। তারা হলেন প্রমোদ যাদব, রাকিব হোসেন, শাজাহান মহলদার, মোহাম্মদ নুর ইসলাম। আহতদের উদ্ধার করে সামসেরগঞ্জ অনুপনগর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু সকলের অবস্থাই আশঙ্কাজনক ছিল। সেই কারণে তাদের জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

এই বিষয়ে ধুলিয়ান পুরসভার চেয়ারম্যান ইনজামামুল ইসলাম বলেন, “কীভাবে আগুন লাগলো তা নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। কাউন্সিলর শাহজাহান মহালদারের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল”।

RELATED Articles