আগেই রেশন দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের। তাঁর বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়েই তাঁরই অনুগামীদের হামলার মুখে পড়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। সেই থেকেই ‘নিখোঁজ’ শাহজাহান। এবার তাঁর বিরুদ্ধে উঠল ধ’র্ষ’ণে’র অভিযোগও। এই ঘটনায় রাজ্যের ডিজিপি রাজীব কুমারের কাছে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় মহিলা কমিশন।
গত চারদিন ধরে আগুন জ্বলছে সন্দেশখালিতে। গ্রামের মহিলারা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন শাহজাহান ও তাঁর দুই সাগরেদ শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে। হাতে বাঁশ, লাঠি নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তারা। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে শিবু-উত্তমদের একের পর এক পোল্ট্রি ফার্ম, বাগানবাড়ি। তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে সন্দেশখালির মহিলাদের।
তাদের অভিযোগ, তাদের শ্লী’ল’তা’হা’নি, স’ম্মা’ন’হা’নি করেছে শাহজাহান থেকে শুরু করে শিবু-উত্তমরা। রাত-বিরেতে পার্টি অফিসে তাদের ডেকে নিয়ে যাওয়া হত জোর করে। আর ভোরবেলা ফিরিয়ে দেওয়া আসা হত বাড়িতে। মহিলারা অভিযোগ করে জানান, “বাড়ির মেয়েদের কোনও সম্মান দেয়নি। মেয়েদের শেষ করে ফেলেছে। রাত সাড়ে দশটার সময়েও মেয়েদেরকে উঠিয়ে আনত পার্টি অফিসে। আজ আমাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে”।
মহিলাদের উপর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়েছে। এই ঘটনায় এবার আসরে নেমেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারা। রাজ্যের ডিজিপি রাজীব কুমারের থেকে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। তারা রাজ্যেও আসতে পারেন বলে খবর।
এই ঘটনায় শাসক দলকে কটাক্ষ করতে ছাড়ে নি বিজেপিও। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল যে পার্টি অফিসে মহিলাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও রাজ্যের সব জায়গায় দেখানো হবে। তাদের কর্মসূচিতে সেই ভিডিও ব্যবহার করবে তারা। কীভাবে রাতের অন্ধকারে তৃণমূল নেতারা সন্দেশখালির মহিলাদের তুলে নিয়ে যেত, আর ভোরবেলা বাড়ি ছেড়ে দিয়ে যেত, তা সকলের সামনে আনবে বিজেপি, এমনটাই দাবী।





