বামেদের ইনসাফ যাত্রার জন্য সাজানো হয়েছে রাস্তা। লাল পতাকা দিয়ে একটি কলাগাছ সাজানো হয়েছিল। বিধায়কের তোরণের সামনে রাখা হয় সেই কলাগাছ। যা দেখে বেজায় চটে গেলেন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। দু’মিনিটের সব সাজানো বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। তোরণের সামনে থেকে সরিয়ে দিলেন সেই কলাগাছ।
কী ঘটেছে ঘটনাটি?
চলছে বামেদের ইনসাফ যাত্রা। আজ, বৃহস্পতিবার এই ইনসাফ যাত্রার তৃতীয় দিন। এদিন চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড় থেকে শুরু হবে পদযাত্রা আর তা যাবে বাঁশবেড়িয়ার ত্রিবেণী পার্ক পর্যন্ত। এই পদযাত্রায় অংশ নেবেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও বাম যুব নেতৃত্ব। তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে নানান জায়গায়। সেই কারণেই সাজানো হয়েছিল ত্রিবেণী পার্ক। আর সেখানেই বাঁধল গোল।
ডিওয়াইএফআইয়ের পতাকা দিয়ে সাজানো হয়েছিল একটি কলাগাছ। সেই কলাগাছ রাখা হয় তৃণমূলের একটি তোরণদ্বারের সামনে। তাতেই ঢাকা পড়ে যায় তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারের মুখ। তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অসিত মজুমদার।
আসলে, চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার প্রতি বছরই ডিসেম্বর মাসে ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। এই বছরও তা করা হয়েছে। সেই প্রচারের জন্যই শহরজুড়ে তোরণ লাগানো হয়েছে। সেই তোরণে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসিত মজুমদারের ছবি। কিন্তু অসিত মজুমদারের ছবি পতাকা লাগানো কলাগাছে ঢাকা পড়ে যায়।
সেই খবর পেয়েই ত্রিবেণী যান বিধায়ক। তোরণের সামনে থেকে কলাগাছ সরাতে বলেন। বলেন, “সাজানো বন্ধ করতে দু’মিনিট লাগবে না”। এরপরই স্থানীয় বাম নেতৃত্ব সেই কলাগাছ সরিয়ে ফেলেন।
কী বলেন তৃণমূল বিধায়ক?
অসিত মজুমদার বলেন, “ইনসাফ যাত্রা করছে করুক। আমার তোরণ ডেকে দিয়েছে কলাগাছে। ওদের হাতে সাঁইবাড়ির রক্ত লেগে রয়েছে মরিচ ঝাঁপি আনন্দমার্গি হত্যারা রক্ত আছে। বাংলার মানুষ ওদের ইনসাফ করে শূন্য করে দিয়েছে।ইনসাফ কোনো দিন পাবে না। এখন রাম বাম এক হয়েছে ২০২৪ সালে যোগ্য জবাব দেবে মানুষ”।
এই বিষয়ে বাম নেতা গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ইনসাফ যাত্রার পদযাত্রা যাবে তার জন্য সাজানো হয়েছিল। ওঁদের আপত্তি ফুটবল খেলার তোরণ নাকি ঢাকা পড়ে যাচ্ছে দেখা যাচ্ছে না। রাতে সাজানো হয়েছিল। আমরা সকালে দেখে স্থানীয় কাউন্সিলরকে বলেছিলাম অসুবিধা হলে সরিয়ে নেব। ওঁরা বললেন বিধায়ক এসে যা করার করবেন।ওঁরা বলছে আমরা নাকি অশান্তি চাই। কী আর বলার আছে”।





