আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি জানিয়েছেন যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র থেকে আসন্ন লোকসভা ভোটে প্রার্থী দেবেন তিনি। এমনকি, বর্তমান সাংসদকে প্রাক্তন বানানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। তাঁর এহেন মন্তব্যের পর তৃণমূলে বেশ চর্চা শুরু হয়েছে। এবার নওশাদের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমান দাবী করেন যে মুসলিম ভোট কাটানোর জন্য নাকি নওশাদ বিজেপির থেকে মাসোহারা নিচ্ছে।
গত শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের একটি জনসভা থেকে বিজেপি নেতা তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ডায়মন্ড হারবারে অভিষেককে হারাবো। অন্য লোককে দাঁড় করিয়ে হারাবো। বিজেপি-কে জেতাবো। আবার বলছি, ভাইপোকে হারাবো,হারাবো,হারাবো”।
এরপর কী বলেন নওশাদ?
এরপর দিনই আবার ওই কেন্দ্র থেকেই লোকসভা ভোটে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি বলেন, “আমি ডায়মন্ড হারবারের বর্তমান সাংসদকে প্রাক্তন সাংসদ বানাবো। দল অনুমোদন দিলে আমি ডায়মন্ড হারবার থেকে লোকসভা ভোটের জন্য লড়াই করব”। তাঁর এই মন্তব্যের পরই জলঘোলা হতে থাকে রাজনীতির অন্দরে। শুভেন্দু ও নওশাদের একই ধরণের মন্তব্যের জেরে বিজেপি ও আইএসএফ আঁতাত নিয়ে চর্চা শুরু হয়।
সেই আঁতাত নিয়েই এবার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, “ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় নওশাদ সিদ্দিকি প্রার্থী হলে জামানত জব্দ হবে। ওতো বিজেপির দালাল। বিজেপি-র থেকে মাসোহারা নিয়ে মুসলিম ভোট বিভাজনের চেষ্টা করছে”।
কী প্রতিক্রিয়া বিজেপির?
তৃণমূলের বিধায়কের এই দাবী মানতে নারাজ গেরুয়া শিবির। বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, “উনি কী করবেন তা তো আমি বলতে পারি না। ওনার মনে হয়েছে উনি অভিষেককে টক্কর দেবেন। করতেই পারেন। বিজেপি তার সংগঠন, কর্মীদের নিয়ে লড়াই করবে। আমাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কে এক হবেন কে দুই হবেন তা তো আমাদের হাতে নেই। আমরা এক আছি আমরা লড়াই করব”।





