পুলিশের গাড়িতে লাগানো রয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে স্টিকার। শনিবার ভোট শুরু হতেই এমন দৃশ্য দেখা গেল আসানসোলের ৫১ নম্বর ওয়ার্ডে। সূত্রের খবর, আসানসোলের চেলিডাঙ্গা হাই স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পুলিশের গাড়িতে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে স্টিকার লাগানো ছিল। এই ঘটনাকে ঘিরে বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহল ও ভোটদাতাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে যে কোনও পুলিশের গাড়িতে কোনও দলীয় প্রার্থী সমর্থনে স্টিকার লাগানো থাকে কীভাবে? পুলিশের তরফে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি এখনও পর্যন্ত। বিরোধীদের দাবী, পুলিশের নিরপেক্ষ থাকা উচিত।
এই ঘটনায় স্থানীয় ভোটারদের অভিযোগ, পুলিশকে প্রাথমিক ভাবে বলা হলেও পুলিশকর্মীদের কোনও হেলদোল ছিল না। এই ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী কাঞ্চ দে অভিযোগ করেন, পুলিশ প্রথমে এই নিয়ে কিছু করেনি। গাড়িটি বুথ কম্পাউন্ডের ভেতরেই ছিল। এভাবে ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। পরে উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলে নাকি জল দিয়ে স্টিকারটি ওঠানোর চেষ্টা করা হয়।
এদিন আসানসোলে ভোট শুরু হওয়ার আগে থেকেই উত্তেজনা ছড়ায়। গতকাল সন্ধ্যা থেকেই বহিরাগতদের জমায়েতের বিরুদ্ধে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি, বাম ও কংগ্রেস প্রার্থীরা।
শুধু তাই-ই নয়, অগ্নিমিত্রা পাল ও জিতেন্দ্র তিওয়ারিরা অভিযোগ করেন যে আসানসোলের ঘাঁঘরবুড়ি মন্দির এলাকায় একটি লজে বহিরাগতরা লুকিয়ে রয়েছে। এই নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে গেলে পুলিশ দুই বিজেপি প্রার্থীকে আটক করে। আটক করা হয় ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী শুভাশিস দাস ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপই প্রার্থী বিশ্বজিৎ মণ্ডলকে।





