তিন দফার নির্বাচন বাকি বাংলায়। তৈরি হয়েছে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি। কিন্তু ভাটা পড়েনি রাজনৈতিক হিংসায়।
ষষ্ঠ দফার ভোটের আগে সোমবার রাতে বীরভূমে তৃণমূল নেতার বাড়ির উঠোনে চলছিল বোমা বাঁধার কাজ। আর তা করতে গিয়েই গুরুতর জখম হলেন এক ব্যক্তি। বোমা বাঁধার কাজ চলাকালীন সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে এক তৃণমূল নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। যদিও দলীয় নেতৃত্ব বোমা বাঁধার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাঁদের পালটা দাবি, বোমা বাঁধা হচ্ছিল নাকি তৃণমূল নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয়েছে, তা তদন্ত করলেই স্পষ্ট হবে। বিজেপির অবশ্য দাবি, পঞ্চায়েত ভোটের মতোই এলাকায় সন্ত্রাস করতে বোমা বানাচ্ছিল তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।
আরও পড়ুন- সাদা শাড়ির দিন শেষ, এবার পালা সাদা দাড়ির, মমতাকে নিশানা দিলীপের
ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের মল্লারপুর এলাকার বানাশপুর গ্রাম।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গতকাল রাতে এলাকার সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি আনাই শেখের বাড়িতে বোমা বাঁধা হচ্ছিল। বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। সেই কাজ করতে গিয়েই অন্য এক তৃণমূল কর্মী জার্মান শেখ গুরুতর জখম হন। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বর্ধমানের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান মল্লারপুর থানার পুলিশ। তাঁরা পৌঁছনোর আগেই ঘটনাস্থল কার্যত পরিষ্কার করে ফেলা হয়েছিল বলে খবর। তা দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ, বিস্ফোরণে আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু সেই দেহ সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি বিরোধীদের। এদিকে মল্লারপুর থানার পুলিশ আনাই শেখকে আটক করে।
এই ঘটনায় শাসককে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিরোধীদলের ময়ূরেশ্বর বি মণ্ডলের সভাপতি সুশান্ত দে বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতো সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে ভোট বানচালের চেষ্টা করছিল তৃণমূল। বিস্ফোরণস্থলে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সেই দেহ লোপাট করে দিয়েছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা ময়ূরেশ্বর বিধানসভার প্রার্থী অভিজিৎ রায়।” অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের ব্লক সভাপতির দাবি, “বিষয়টা আমি শুনেছি। তাঁরা বোমা বাঁধছিল নাকি তাঁদের উপর বোমা মারা হয়েছে বিষয়টি পুলিশকে তদন্ত করে দেখতে বলেছি। তদন্তের পরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।”






