কিছুদিন আগেই আর জি কর কাণ্ডে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের হুমকি শানিয়েছিলেন তিনি। এবার ভরতপুরের সেই বাহুবলি তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে উঠল প্রতারণার অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় গেলেন খোদ তৃণমূল কর্মীরাই।
জানা গিয়েছে, ভরতপুরের ফেরিঘাটের লজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এক সংস্থার থেকে ১৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তৃণমূল বিধায়ক। এই ঘটনায় হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তৃণমূল কর্মীরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।
এক তৃণমূল কর্মীর অভিযোগ, “ভরতপুরের লোহাদহ ঘাটে লিজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ১৪ লক্ষ টাকা নিয়েছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। লিজ তো মেলেইনি উল্টে টাকা ফেরত চাইতে গেলে উনি যে দুটি চেক (ব্যাঙ্কের) দিয়েছিলেন তাও বাউন্স করে। এটা প্রতারণা নয়”?
ওই সংস্থার এক আধিকারিক জানান, “মূয়রাক্ষী নদীর ওপর লোহাদহ ফেরিঘাটের টেন্ডার বেরনোর কথা ছিল। সাধারণত পঞ্চায়েত থেকে। হুমায়ুঁ জানান টেন্ডার হবে তাঁর ওখান থেকে। একথা বলে টেন্ডার পাইয়ে দিয়ে ১৪ লক্ষ টাকা দাবী করেন তিনি। সেই টাকা বিধায়ককে দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত টেন্ডার আমরা পাইনি। এর পর বিধায়কের কাছে টাকা ফেরত চাইলে প্রথমে কয়েকদিন ঘোরান তিনি। তার পর ৪ লক্ষ টাকা ও ৮ লক্ষ টাকার ২টি চেক দেন। কিন্তু সেই চেক ব্যঙ্কে দেখালে জানানো হয়, অ্যাকাউন্টে অত টাকাই নেই। বাধ্য হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছি আমরা। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকেও চিঠি দিয়েছি আমাদের টাকা উদ্ধার করে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে”।
যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন হুমায়ুন কবীর। তৃণমূল বিধায়কের আবার পাল্টা দাবী, দলের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। তিনি আইনি পথে মোকাবিলা করবেন বলে জানান। এই ঘটনায় অবশ্য এখনও পর্যন্ত জেলার তৃণমূল নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।






