নন্দীগ্রামে মুখোমুখি শুভেন্দু-কুণাল, শুভেন্দুকে দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান তৃণমূল কর্মীদের, পাশে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসলেন কুণাল

মাঝে আর মাত্র একটা দিন। শনিবার ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন। জোরকদমে প্রচার করছে এই মুহূর্তে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। আজ, বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামে প্রচারের শেষ লগ্নে মুখোমুখি হতে দেখা গেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে। এদিন শুভেন্দুকে দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে থাকে তৃণমূল কর্মীরা।

পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই প্রচার শুরু করে দেয় রাজনৈতিক দলগুলি। আর অন্তিম লগ্নের প্রচারে তো আরও বেশি ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যায়। বৃহস্পতিবারই ছিল প্রচারের শেষ দিন। রাজ্যের নানান প্রান্তে নানান রাজনৈতিক নেতারা প্রচার করেন এদিন। এদিন বিকেলে নন্দীগ্রামে ভোট প্রচারে গিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ।

অন্যদিকে আবার এদিনই নন্দীগ্রামের সামসাবাদ এলাকার নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীও। প্রচার শেষে নন্দীগ্রাম বাইপাস হয়ে বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় ওই এলাকায় সভা করছিলেন কুণাল ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন বাপ্পাদিত্য গর্গ, ঋজু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা। 

এদিন সেই জায়গা দিয়ে শুভেন্দুর কনভয় যেতে দেখেই তৃণমূলের সভা থেকে ‘চোর’ স্লোগান ওঠে। শুভেন্দু অধিকারীকে বেইমান বলেও কটাক্ষ করা হয়। টানা হল তাঁর বাবাকেও। স্লোগান ওঠে, “চোর চোর চোরটা, শিশিরবাবুর ছেলেটা।” গাড়িতে বসেই মুখ বাড়িয়ে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে প্রতিবাদ জানান শুভেন্দু। আর পাশে দাঁড়িয়ে সমস্ত ঘটনার যেন মজা নিচ্ছিলেন কুণাল। এই ঘটনায় বেশ কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য, এই নন্দীগ্রামেই শেষ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জোর টক্কর হয় শুভেন্দু অধিকারীর। শেষ হাসিটা হেসেছিলেন শুভেন্দুই। ১৯৫৬ ভোটে জয় হাতছাড়া হয়েছিল মমতার। এবার পঞ্চায়েত ভোটে সেই নন্দীগ্রামের হারানো জমিই ফিরে পেতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির। জোরকদমে চলছে প্রচার। মাঠে নেমেছেন তৃণমূলের তাবড় তাবড় নেতা মন্ত্রীরা। এবারে সেখানে ফলাফল কী হয়, এখন সেটাই দেখার।

RELATED Articles