এবার থেকে কেদারনাথ মন্দিরে আর ভিডিও বা রিল বানানো যাবে না। এই নিয়ম পালন না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনটাই বার্তা দিল উত্তরাখণ্ড পুলিশ। সম্প্রতি কেদারনাথ মন্দিরে বানানো এই রিল ভিডিও নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই এমন পদক্ষেপ নীল বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ।
কী জানিয়েছে বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ?
ধর্মীয় স্থানে অনেকেই ভিডিও ও রিল বানিয়ে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবী, মন্দির চত্বরে এমনভাবে ভিডিও বা রিল বানিয়ে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলে তা অনেকেরই ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হানছে। এই কাজ অবিলম্বে বন্ধ হোক, এমনটা জানিয়ে উত্তরাখণ্ড পুলিশে চিঠি দেয় বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ।
মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পাওয়ার পরই কড়া বার্তা দিল উত্তরাখণ্ড পুলিশ। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে কেদারনাথ মন্দির চত্বরে কোনও ভিডিও বা রিল বানানো যাবে না। কড়া নজরদারি চালানো হবে। এই ধরণের কাজ বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ যদি এই নিয়মের পালন না করেন, তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায় পুলিশ।
হঠাৎ এমন নিয়ম কেন?
মন্দির চত্বরে এক তরুণ-তরুণীর ভিডিওকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি খবর ২৪৭। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হলুদ পাঞ্জাবি পরা এক তরুণ প্রার্থনা করছেন। আর তাঁর পাশেই হলুদ শাড়ি পরা এক তরুণী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তরুণ দেখেন, তাঁর প্রেমিকা হাঁটু মুড়ে বসে আংটি হাতে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছেন।
বেশ হতচকিত হয়ে পড়েন ওই তরুণ। একটু ধাতস্থ হওয়ার পরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন যান তিনি আর পরস্পরকে গভীর আলিঙ্গনে আবদ্ধ করেন তারা। এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই অনেকে প্রশ্ন তোলেন যে ধর্মীয় স্থানে এই ধরনের কাজে অনুমতি কেন দেওয়া হচ্ছে? মোবাইল নিয়ে মন্দির চত্বরে কেন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এমন প্রশ্নও তোলেন অনেকেই।
View this post on Instagram
এই ভিডিও নিয়ে চর্চা শুরু হতেও নড়েচড়ে বসে বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ। তারা জানান, এই ধরণের কাজ একেবারেই কাম্য নয়। এমন কাজ বরদাস্ত করা হবে না। এরপরই পুলিশ প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয় মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে।





