চেনা সেই ভিড় নেই! বৃষ্টির মধ্যেই ১৪ ঘণ্টা পর ট্রেন পরিষেবা শুরু হাওড়া-শিয়ালদহ শাখায়, শুরু বিমান পরিষেবাও

ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র আশঙ্কায় গতকাল, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল হাওড়া ও শিয়ালদহ শাখার ট্রেন পরিষেবা। বন্ধ ছিল কলকাতা বিমানবন্দরের বিমান পরিষেবাও। এবার ১৪ ঘণ্টা পর শুরু ট্রেন পরিষেবা। সেভাবে ভিড় না দেখা গেলেও ১৪ ঘণ্টা পর গড়াল ট্রেনের চাকা। শুরু বিমান পরিষেবাও।

‘দানা’র দাপটের জেরে গতকাল, বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে বন্ধ দেওয়া হয়েছিল ট্রেন পরিষেবা। শিয়ালদহ ডিভিশনের সমস্ত শাখাতেই বন্ধ ছিল ট্রেন পরিষেবা। হাওড়া ডিভিশনেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আজ, শুক্রবার সকাল ১০টায় শুরু হল ট্রেন পরিষেবা। সেভাবে যাত্রী না থাকলেও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি।

জানা গিয়েছে, এদিন শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার প্রথম ট্রেন ডাউন সোনারপুর লোকাল ছাড়ে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে। এরপর একে একে বাকি ট্রেনও চালু হয়। কলকাতা বিমানবন্দরেও শুরু হয়েছে পরিষেবা। দানার জেরে অনেক বিমানই বাতিল হয়েছিল। ফলে বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের।

গতকাল, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শুরু হয় দানার ল্যান্ডফল। ওড়িশার ধামারার কাছে হয় ল্যান্ডফল। প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে চলে এই ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। প্রায় ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে আছড়ে পড়ে ‘দানা’। তার জেরে ওড়িশায় শুরু হয়েছে ব্যাপক বৃষ্টি,

‘দানা’র প্রভাব বাংলায় তেমন পড়ে নি ঠিকই। তবে শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ নানান জেলায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে কলকাতার নানান অংশ এখন জলমগ্ন। বালিগঞ্জ, কসবা, বেহালায় হল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। রাস্তায় খুববেশি লোকজন তো নেই-ই, তেম্নভাবে বাস-অটোর আধিক্যও চোখে পড়ছে না।

আরও পড়ুনঃ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ, গর্ভবতী নাবালিকা, পুলিশের জালে অভিযুক্ত

তবে অনেক জায়গাতে ঝড়ের কারণে গাছ ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সাগরের নানান জায়গায় গতকাল রাতেই বেশ বড় বড় গাছ ভেঙে গিয়েছে বলে খবর। গঙ্গার জলস্তরও বেড়েছে বৃষ্টির কারণে। নানান জায়গায় বিপর্যয় মোকাবিলা টিম কাজে নেমেছে।   

আরও অন্যান্য খবর