বাংলাদেশের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে দিনদিন। সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচার থামছেই না সেদেশে। এরই মধ্যে আবার বাংলাদেশের কট্টরপন্থীদের মুখে বারবার উঠে আসছে ভারত বিদ্বেষী মন্তব্য। কখনও কলকাতা দখলের হুমকি, তো কখনও আবারভারতের মানচিত্র বদলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাদের তরফে। এবার এই ঘটনায় গর্জে উঠলেন ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি।
পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকির স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, শুধুমাত্র বাংলাদেশই নয়, যে কোনও দেশ যদি ভারতের দিকে আঙুল তোলে, তাহলে আঙুল কেটে নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, “বাংলাদেশ যদি ভারতবর্ষের একমুঠো মাটি নেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে কবজি কেটে নেব”।
এমনকি, পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়েছেন ত্বহা সিদ্দিকি। বলেন, “যদি পাকিস্তান-বাংলাদেশ হাত মিলিয়ে আমাদের দেশকে চমকাবে বলে মনে করে তবে বলব সেদিন চলে গিয়েছে। দুই দেশেরই সংখ্যালগু ও সংখ্যাগুরুরা সুখে শান্তিতে বসবাস করুক এটাই চাই”।
পীরজাদার দাবী, কিছু অসৎ চরিত্রের নেতারা দুই দেশের সুখ, শান্তি, ঐক্য নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তবে সেই উদ্দেশ্য সফল হবে না বলে জানিয়ে ত্বহা সিদ্দিকি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে যাঁরা উষ্কানিমূলক মন্তব্য করছে তারা কখনও দেশের ভাল চাইছে না। যারা উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখছেন তাঁদের আমরা পাত্তা দিচ্ছি না”।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের অশান্তির জেরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। সীমান্তরক্ষী বাহিনী নজরদারি বাড়িয়েছে। এর আগে বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে এ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “আমরা ৯৭ টি পণ্য না পাঠালে তোদের ভাত-কাপড় জুটবে না। ঝাড়খণ্ড থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ফরাক্কা দিয়ে না পাঠালে ৮০ ভাগ গ্রামে আলো জ্বলবে না”।
এমনকি, যুদ্ধবিমান পাঠানোর হুমকিও এদিন দেন শুভেন্দু। বলেন, “হাসিমারায় ৪০ টি যুদ্ধবিমান রাখা আছে। দুটো বিমান পাঠিয়ে দিলেই কাজ হয়ে যাবে”। শুধু তাই-ই নয়, এদিন শুভেন্দু অধিকারী এও মনে ক্রুয়ে দেন যে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৭ হাজার ভারতীয় সেনা শহিদ হয়েছিলেন।





