তৃণমূল বিধায়ক নরেশ বাউড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। তাঁর বিরুদ্ধে মিছিল, বিক্ষোভ, স্লোগান, মেলার মূল প্রবেশদ্বার ভাঙচুর, পাঁচিল তৈরির নির্মাণ সামগ্রী চুরি, পৌষমেলার মাঠে চরম অশান্তি সৃষ্টি করার মতো অভিযোগ উঠেছে।
নরেশ বাউড়ি ছাড়াও বিশ্বভারতীর তৃণমূল নেতা গগন সরকার-সহ ৯ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে ৮ জনকে গ্রেফতার করে। কিন্তু তখনও পর্যন্ত বিশ্বভারতীর তরফে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। এরপর এদিন সকালে বিশ্বভারতীর তরফে শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ দায়ের হয়।
তবে এই ঘটনায় এক প্রকার অভিযুক্তের পাশেই দাঁড়াতে দেখা যায় শাসক দলের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর কথায়, ‘ভুবনডাঙার মাঠের সঙ্গে বাঙালির সেন্টিমেন্ট জড়িয়ে আছে। ভিসি সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলে করতে পারতেন। মানুষের আবেগের কথা মাথায় রাখেননি তিনি। হঠাত্ করে এমন একটা সিদ্ধান্ত কেনই বা নিলেন! মানুষের সেন্টিমেন্ট বুঝতে পারেননি। তৃনমূলের বিধায়ক এলাকার মানুষ। তিনি মানুষের আবেগকে না গুরুত্ব দিলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন। তাই গেছিলেন।’
গতকালের ঘটনার পর এদিন সকাল থেকেও থমথমে বিশ্বভারতী। উপাচার্যের বাড়ির সামনে থেকে আপাতত বিক্ষোভ তুলে নিয়েছেন ছাত্ররা।





