এখন বঙ্গবাসীর মনে একটাই প্রশ্ন, জাঁকিয়ে শীতটা পড়বে কবে? তবে তাদের জন্য কোনও আশার বাণী শোনাতে পারল না আলিপুর আবহাওয়া দফতর। জাঁকিয়ে শীত পড়া ও দূর, বরং আগামী চার-পাঁচদিনে রাতের তাপমাত্রা বাড়বে। রোদেরও তেমন দেখা মিলবে না বলেই জানা যাচ্ছে?
কেন এমন অবস্থা আবহাওয়ার?
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এক-দু’দিনের মধ্যেই অতি গভীর নিম্নচাপ ঘনীভূত হবে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে। সেটির অভিমুখ প্রাথমিকভাবে রয়েছে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে। এরপর সেই নিম্নচাপ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে এগোবে উত্তর-পশ্চিম দিকে।
ডিসেম্বরের শুরুতেই সেই নিম্নচাপ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে মিগজাউম। আবার দক্ষিণ বাংলাদেশ ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরেও অন্য একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
আগামীকাল, বৃহস্পতিবার থেকে আবার পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে রাজ্যে। এর জেরে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গেই আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। এর জেরে কমবে শীতের আমেজ। কলকাতার তাপমাত্রা আগামী কয়েকদিন ২০ ডিগ্রির উপরেই থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলি পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির উপরে থাকবে।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে কিন্তু আকাশ মোটামুটি পরিষ্কারই থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে কালিম্পং, দার্জিলিংয়ে হালকা বৃষ্টি হলেও হতে পারে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলার আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। আগামী তিন-চারদিন উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না।





