মালদায় তৃণমূল নেতা খুনের কিনারা কবে? চড়ছে রাজনীতির পারদ

মালদায় তৃণমূল নেতা খুনে গ্রেফতার করা হয়েছে ৫ জনকে । দুই অভিযুক্ত এখনো অধরা। তাদের গ্রেফতার করতে পুরষ্কার ঘোষণা করেছে মালদা জেলা পুলিশ। এই খুনের পিছনে কী কারণ থাকতে পারে, তাও এখনো পরিষ্কার নয় পুলিশের কাছে। মৃত তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দাবি, ঘটনার পিছনে কোন বড় মাথার হাত রয়েছে। রয়েছে রাজনৈতিক অভিসন্ধিও।

এদিকে, অভিযোগ উঠেছে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা এটাই মনে করছেন যে, এই দুই অধরাকে গ্রেফতার করতে পারলেই খুব সম্ভবত খুনের মোটিভ পরিষ্কার হবে। আর ধৃত ২ জনের সন্ধানে ইতিমধ্যে ২ লক্ষ টাকা করে পুরষ্কার ঘোষণা মালদা জেলা পুলিশের। কিন্তু কেন নিহত তৃণমূল নেতার নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল তা নিয়ে কার্যত ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে পরিবারের সদস্যরা।

কাউন্সিলর খুনে পলাতক দুই অভিযুকক্তের বিরুদ্ধে অর্থমূল্যের পুরষ্কার ঘোষণা। পলাতক দুই অভিযুক্ত কৃষ্ণা রজক ও বাবলু যাদব। অভিযুক্তদের ধরে দিতে পারলে পুরষ্কার ঘোষণা ইংরেজ বাজার পুলিশের। মালদহের ইংরেজ বাজারে খুন হন তৃণমূল কাউন্সিল দুলাল সরকার ওরফে বাবলা। খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের ধরে দেওয়ার জন্য পুরষ্কার ঘোষণা পুলিশের।

সূত্রের খবর, শেষ পর্যন্ত পুলিশ যখন তল্লাশি চালিয়েও মূল অভিযুক্তদের ধরতে পারেনি। গ্রেফতার ৫ জনকে জিজ্ঞেসাবাদ করে কৃষ্ণা (৩১) ও বাবলুর (৩২) নাম প্রকাশ্যে আসে। এই দুজনই খুনের মাস্টার মাইন্ড। তারাই বিহার থেকে সুপারি কিলার নিয়ে এসেছিল। তবে পুলিশের ধারণা এর পিছনে কাজ করছে একটি বড় চক্র। কারণ দুজনের আর্থিক অবস্থা এমন নয় যে তারা আট বা দশ লক্ষ টাকা দিয়ে কিলারকে সুপারি দিতে পারবে।

উল্লেখ্য, কাউন্সিলর খুনের মূল অভিযুক্ত কৃষ্ণা রজক ও বাবলু যাদবকে ধরে দিতে পারলে দু’লক্ষ টাকা অর্থমূল্যের পুরষ্কার ঘোষণা মালদহ পুলিশের। দুজনের বাড়িই মহানন্দা কলোনীর ঝরঝরিয়া থানা একালায়। ফলত, দুজনেই পরিচিত ছিলেন কাউন্সিলরের। তারা অনেকদিন ধরেই হত্যার ছক কষছিলেন। আঁচ পাননি দুলালবাবু।

প্রসঙ্গত, ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন অমিত মিত্র নামে এক ব্যক্তি। পুলিশ সূত্রে খবর, হত্যাকারী গোটা গ্যাংটিকে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিলেন তিনি। শনিবার জেরার পর তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির দাবি ! শ্যামাসুন্দরী মন্দিরের তহবিল দখল করতে তৃণমূলের ষড়যন্ত্র, পুরোহিতের বক্তব্যে উত্তেজনা তুঙ্গে!

মালদার পর এবার মুর্শিদাবাদে শ্যুট আউটের ঘটনা। নওদার সর্বাঙ্গপুরে গুলি চালনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত ছড়িয়ে পড়েছে চূড়ান্ত চাঞ্চল্য। এদিকে, বিজেপির দাবি তৃণমূলের লোকেরা গুলি চালিয়েছে। যদিও সেই অভিযোগকে পুরোপুরি অস্বীকার করেছে তৃণমূল। জখম যুবক মুর্শিদাবাদ ভর্তি রয়েছেন মেডিকেল কলেজে।

RELATED Articles