গত শনিবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মোমিনপুর। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ওই এলাকা। মোমিনপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলার রাজনীতিও উত্তপ্ত। এই নিয়ে শাসক-বিরোধী তরজা শুরু হয়েছে।
রবিবারও দোকান, বাইক ভাঙচুর হয় মোমিনপুরে। এদিন এলাকা পরিদর্শনে যেতে গেলে বাধা দেওয়া হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। রবিবার বিকেলে পরিষদীয় দল নিয়ে রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য চেয়ে রাজ্যপাল ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্’কে চিঠিও দেন তিনি।
শুধু তাই-ই নয়, মোমিনপুরের এই হিংসার ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিন আইপিএস অফিসারও। সিএমআরআই-তে চিকিৎসাধীন তারা। তাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সরাসরি দেখা হয়নি কোনও কারণবশত। দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও।
এসবের মধ্যেই একটা প্রশ্ন বারবার উঠে আসছে যে তিন আইপিএস অফিসার আক্রান্ত হওয়ার পরও তাদের সঙ্গে কেন দেখা করতে গেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? তবে কী নিজের গা বাঁচিয়ে চলছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ?
গত ১৩ই সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন এক পুলিশকর্তা। সেই সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসএসকেএমে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি, তাঁর সঙ্গে দেখা করার পর এসএসকেএম চত্বরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন যে পুলিশ অনেক সংযত থেকেছে। তিনি থাকলে বিজেপি কর্মীদের মাথায় গুলি করতেন।
এবার বিরোধীদের তরফে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে যে এবারও কী তবে অভিষেক বিরোধীদের মাথায় গুলি করার নিদান দেবেন বা নিজের ওই কথায় অনড় থাকবেন? নাকি ভোটবাক্স বাঁচানোর জন্যই এই ঘটনায় মুখে কুলুপ এঁটেছেন তিনি? এমন প্রশ্নও তোলা হচ্ছে বিরোধীদের তরফে। বলে রাখি, মোমিনপুরের ঘটনা প্রসঙ্গে মমতা বা অভিষেককে কোনও মন্তব্য করতে শোনা যায় নি এখনও পর্যন্ত।





