জ্বলছে সন্দেশখালি, মহিলাদের শ্লী’ল’তা’হা’নি, শা’রী’রি’ক অত্যাচারের অভিযোগ তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে, তাও মুখে কুলুপ বাংলার বুদ্ধিজীবীদের!

বিগত কয়েকদিন ধরেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সন্দেশখালিতে। জ্বলছে ওই এলাকা। তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী। শেখ শাহজাহানের সাগরেদ উত্তম, শিবুদের বিরুদ্ধে উঠেছে মহিলাদের শ্লী’ল’তা’হা’নি, শা’রী’রি’ক অত্যাচার করার অভিযোগ। তাদের গ্রেফতারির দাবী উঠেছে। কিন্তু এটি কিছুর মধ্যেই এই গোটা ঘটনায় কোথাও এই নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গেলা না বাংলার বুদ্ধিজীবীদের।  

প্রসঙ্গত, শাসক দলের নেতাদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আগুন জ্বলছে সন্দেশখালিতে। শেখ শাহজাহানের সাগরেদ শিবু-উত্তমদের গ্রেফতারির দাবী উঠেছে। তাদের পোল্ট্রি ফার্ম, বাগানবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু গ্রামবাসীদের পাকড়াও করেছে পুলিশ। ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

সন্দেশখালির মহিলাদের অভিযোগ, তাদের ভিটেমাটি তো কেড়ে নিয়েছেই শেখ শাহজাহানের সাগরেদরা। কিন্তু তাদের সম্মানও রেয়াত করে নি তারা। অভিযোগ, এলাকা থেকে সুন্দর দেখতে মহিলাদের রাত-বিরেতে জোর করে টেনে নিয়ে যাওয়া হত তৃণমূল পার্টি অফিসে। সেখানে তাদের প্রয়োজন মিটিয়ে ভোরবেলা বাড়ি ফেরানো হত।   

সেখানকার মহিলারা এও অভিযোগ করেন, শিবু-উত্তম এরা নিজেদের দে’হ’স’ঙ্গি’নী হিসেবে ব্যবহার করে এলাকার মহিলাদের। কোনও সম্মান নেই তাদের। এভাবে দিনের পর দিন তাদের সঙ্গে এরূপ ব্যবহার করা হয়। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ক্ষোভও বর্ষণ করেন তারা।

কিন্তু এই এত অশান্তির মধ্যেও কোনও ধরণের কোনও মন্তব্য করতে শোনা গেল না বাংলার বুদ্ধিজীবীদের। এই ঘটনায় যেন মুখে কুলুপ এঁটেছেন অপর্ণা সেন, কৌশিক সেন এরা। বিগত দু’দিন ধরে চলছে এই সন্দেশখালির ঘটনা। মহিলাদের উপর এমন অকথ্য নি’র্যা’ত’ন, সম্মানহানির কথা শুনেও কেন চুপ বুদ্ধিজীবী মহল, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

নানান ঘটনায় নানান সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান প্রতিক্রিয়া দেখান অপর্ণা সেন, বা কৌশিক সেনের মতো বুদ্ধিজীবীরা। কিন্তু সন্দেশখালির ঘটনায় প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বুদ্ধিজীবী মহলের কাউকে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে বা সেই এলাকা পরিদর্শন করে এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়নি তাদের। গোটাটাই কী ইচ্ছাকৃত নাকি উপরমহলের কোনও চাপের জেরে মুখে কুলুপ বুদ্ধিজীবীদের? উঠছে প্রশ্ন। আপাতত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেশখালির ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল।  

RELATED Articles