লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election) একমাসও বাকি নেই। তৃণমূলের তরফে অনেক আগেই সম্পূর্ণ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে টালবাহানা। গতকাল, রবিবার অনেক আলোচনার পর প্রার্থী তালিকা (candidate list) ঘোষিত হলেও তা ১৯টি আসনের। এর আগে ১৯টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে গেরুয়া শিবির। অর্থাৎ এখনও ৪ জন প্রার্থী নিয়ে সমস্যা চলছে গেরুয়া শিবিরে।
ডায়মন্ড হারবার, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম ও আসানসোলে এখনও প্রার্থী ঘোষণা বাকি বিজেপির। বীরভূম থেকে যে প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর (Debashis Dhar) প্রার্থী হতে পারেন, তা সবার আগে খবর ২৪x৭-ই জানিয়েছিল। কিন্তু তাঁর প্রার্থীপদ এখনও আটকে। রবিবারের তালিকায় নাম ছিল না দেবাশিস ধরের।
কেন আটকে দেবাশিস ধরের (Debashis Dhar) প্রার্থীপদ ?
গত ২১ মার্চ ইস্তফা দিয়েছেন আইপিএস দেবাশিস ধর। মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকার কাহে ইস্তফাপত্র জমা দেন তিনি। তিনি ইস্তফা দেওয়ার আগে ‘কম্পালসারি ওয়েটিং’-এ ছিলেন। কিন্তু যে কোনও কারণেই হন না কেন, তাঁর সেই ইস্তফাপত্র এখনও গৃহীত হয়নি। ফলে এখনও পদে রয়েছেন দেবাশিস ধর হিসেব মতো। সেই কারণেই বিজেপির দ্বিতীয় তালিকায় তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়নি।
শুধুমাত্র দেবাশিস ধরই নন, এই একই ধরণের ঘটনা ঘটেছে ঝাড়গ্রামের চিকিৎসক ডঃ প্রণত টুডুর সঙ্গেও। তাঁকে ঝাড়গ্রাম থেকে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি। জানা গিয়েছে, ডঃ প্রণত টুডু দিন পাঁচেক আগে তাঁর ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। কিন্তু তা এখনও গৃহীত হয়নি। ফলে তাঁর নামও তালিকায় উল্লেখ করতে পারে নি গেরুয়া শিবির।
অন্যদিকে আবার বিজেপি প্রথম তালিকায় আসানসোলের প্রার্থী হিসেবে ভোজপুরি গায়ক পবন সিংয়ের নাম ঘোষণা করলেও পবন সিং জানিয়েছেন, তিনি প্রার্থী হবেন না। ফলে সেই আসনেও এখনও প্রার্থী দেওয়া বাকি। বিজেপি সূত্রে খবর, এই আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের শত্রুঘ্ন সিনহার বিপক্ষে জিতেন্দ্র তিওয়ারি বা এস এস আলুওয়ালিহাকে প্রার্থী করতে পারে দল। তবে জিতেন্দ্র তিওয়ারি প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে।
আবার এখনও ফাঁকা ডায়মন্ড হারবারের আসনও। এই আসন থেকে তৃণমূলে খুবই প্রভাবশালী প্রার্থী হলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে এই আসন থেকে কোনও অতি পরিচিত মুখকেই প্রার্থী করার কথা ভাবছে বিজেপি। এই আসন থেকে প্রার্থী হিসেবে উঠে আসছে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে আসা কৌস্তভ বাগচি ও শঙ্কুদেব পণ্ডার নাম। এখন সকলেই বিজেপির তৃতীয় তালিকা প্রকাশের অপেক্ষায়।





