Woman burnt by her nephew: দাউ দাউ করে জ্বলছে গোটা শরীর। নিজেকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু লড়াইয়ে জয় হল না তাঁর। অগ্নিদগ্ধ (burnt) হয়েই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মহিলা (Woman burnt by her nephew)। এমন এক ভয়ঙ্কর দৃশ্যের সাক্ষী থাকলেন এলাকাবাসী।
কী ঘটেছে ঘটনাটি (Woman burnt by her nephew)?
এই ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের ফরিদপুরের কাঁটাবেড়িয়া এলাকায়। সেখানেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। নাম চায়না বাউরি। বয়স ৫৩ বছর। মহিলার ছেলে জানান, গত রবিবার সন্ধ্যেয় তিনি প্রতিবেশীদের থেকে খবর পান যে তাঁর মায়ের গায়ে আগুন (burnt) লেগেছে। কাঁটাবেড়িয়ায় পৌঁছে তিনি দেখেন, তাঁর মা অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় ছটপট করছেন (Woman burnt by her nephew)।
তড়িঘড়ি বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কিন্তু চিকিৎসকরা জানান, মহিলার শরীরের বেশিরভাগ অংশই পুড়ে (burnt) গিয়েছে। খুবই আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল তাঁকে। চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হয়নি। বাঁচানো যায়নি ওই মহিলাকে (Woman burnt by her nephew)।
এই ঘটনায় নিজের মামাতো দাদা ও বৌদিকেই দুষেছেন মৃতার ছেলে। তাঁর কথায়, সম্পত্তিগত বিবাদের কারণেই তাঁর মায়ের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন (burnt) লাগিয়ে দিয়েছে তাঁর দাদা-বৌদিরা (Woman burnt by her nephew)। মৃতার ছেলে প্রদীপ বাউরির দাবী, “কাঁটাবেড়িয়া এলাকার নিজস্ব বাড়ি থেকে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে মা-বাবা আর আমাদের এলাকা ছাড়া করেছিল মামার ছেলেরা। তারপর থেকেই মা-বাবা কখনও দিদিদের বাড়িতে, কখনও আমাদের বাড়িতে থাকতেন। মাঝে মধ্যে মা কাঁটাবেড়িয়ার বাড়িতে এলে মামার ছেলে বাবলু বাউরি, কার্তিক বাউরি এবং তাঁর বউ সরস্বতী বাউরি এবং সরস্বতী বাউরির দাদা ঠাকুর বাউরি অত্যাচার করত” (Woman burnt by her nephew)।
এই ঘটনায় দুর্গাপুর ফরিদপুর থানায় মামাতো দাদা ও বৌদির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতার ছেলে (Woman burnt by her nephew)। বাউরি সমাজকেও গোটা ঘটনাটি জানিয়েছেন তিনি। মহিলার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। গোটা ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ।





