আজ ফের বাংলায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ। এদিন পুরুলিয়ার বলরামপুরে নির্বাচনের প্রচারের সভা করেন তিনি। এদিনের সভায় ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাক্যবাণে বিঁধলেন যোগী। এদিন মমতাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “জয় শ্রী রাম স্লোগানে মমতাদির অস্বস্তি হয়, এদিকে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও চণ্ডীপাঠ করতে হচ্ছে, মন্দিরে মন্দিরে ছুটতে হচ্ছে। এটাই বিজেপির কৃতিত্ব”।
আরও পড়ুন- চূড়ান্ত হয়ে গেল বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থী, কে সেই ভূমিপুত্র? জেনে নিন
এদিনের সভায় ফের একবার রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়া নিয়ে তোপ দাগলেন যোগী এর পাশাপাশি, বিজেপির বাংলায় সরকার গঠনের পক্ষে সওয়ালও করে তিনি। বলেন, “তৃণমূল বাংলাকে শেষ করে দিচ্ছে। বাংলায় অরাজকতা চলছে। কিন্তু মোদীর হাত ধরেই বাংলায় সুদিন ফিরবে। যে সমস্ত কর্মকর্তা বাংলায় শহিদ হয়েছেন, তাদের আমাদের ন্যায় পাইয়ে দিতেই হবে”।
এদিনের সভায় আসার জন্য বিজেপি কর্মীদের আটকানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে যোগী বলেন, “বঙ্গ ভোটের প্রচারে আম শরিক হতে চেয়েছিলাম। সবাই ভেবেছিলেন আমার সভায় ভিড় হবে না। হেলিকপ্টার থেকে দেখেছি, কর্মীদের সভায় আসার জন্য বাধা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমার সভায় জনসমুদ্র। আমি জানতাম, সো বাধা পেরিয়ে কর্মীরা ঠিক সভায় আসবেন। কেউ তাদের আটকাতে পারবে না”।
আরও পড়ুন- আগামী ৩১শে মার্চ থেকে সব ট্রেন কী বাতিল? বড় ঘোষণা রেলের
একদিনে যখন যোগী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ভাষণ দিচ্ছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীরবিদ্ধ করছেন, তখন অন্যদিকে, পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যোগীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, “মূর্খের মতো অভিযোগ। আগে লোকে জানত, রাজ্যপাট তুলে দিয়ে মানুষ সন্ন্যাসী হয়ে যায়। কিন্তু এখন লোকে আবার সন্ন্যাস থেকে ভোগের জীবনে আসে। যার উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে তরুণীর উপর নির্যাতন হয়, নির্যাতিতার বাবাকে গুলি করা হয়, সেখানে তিনি আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বড় বড় কথা বলছেন”।
তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় গর্বের সঙ্গে বলেছেন যে তিনি ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান। তাঁর বাড়িতে কালীপুজো হয়। করোনার সময় সব ক্লাবের পাশে দাঁড়িয়েছেন। পাশাপাশি সব ধর্মকেই শ্রদ্ধা করেন তিনি”।





