ম’দের নেশা! ম’দ কেনার জন্য অফিসের আসবাবপত্র, নথি, দরজা-জানলা বিক্রি করে দিলেন ম’দ্যপায়ী পিওন

নেশার জন্য মানুষ সত্যিই কী না কী করতে পারে! নেশার জন্য পাগল হয়ে যায়। নেশা করতে গিয়েই কত খারাপ ঘটনাও ঘটিয়ে ফেলে অনেকে। নেশার জিনিসটি জোগাড় করতে গিয়ে নানান মূল্যবান জিনিস বিক্রি করতেও দু’বার ভাবেন না ম’দ্যপায়ী ব্যক্তিরা। এমনই ঘটনা ঘটালেন শিক্ষা দফতরের এক পিওন। নিজের ম’দের টাকা জোগাড় করার জন্য অফিসের আলমারি থেকে শুরু করে দরজা-জানলা, নথিপত্র সব বেচে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ওই কর্মীর বিরুদ্ধে  

অভিযুক্ত শিক্ষা দপ্তরের চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর নাম এম পিতাম্বর। জানা গিয়েছে, সুরাপ্রেমী পিতাম্বর গত দু’বছর ধরে নিজের অফিসের চেয়ার-টেবিল, নথিপত্র বিক্রি করে চললেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এর কিছুই জানতে পারেনি।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে যে বেশ কিছুদিন আগে দফতরটিকে নতুন বাড়িতে সরানো হয়েছে। পাশাপাশি পুরনো বাড়িতে রাখা ছিল নানান নথিপত্র। তার দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিওন পিতাম্বরকে। সেই সুযোগকেই কাজে লাগান নিত্য মদ্যপায়ী কর্মীটি।

অভিযোগ, প্রতিদিন নিজের নেশার খরচ জোগাড় করতে বেরহামপুর শহরের ওই অফিসের প্রায় সমস্ত আসবাব থেকে শুরু করে নথিপত্র বিক্রি করে দেয় পিতাম্বর। প্রায় ঘর ফাঁকা করে ফেলে সে। সম্প্রতি এই ব্যাপারটি জানাজানি হয়। জয়ন্ত কুমার শাহ নামের এক আধিকারিক পুরনো ফাইল আনতে ওই পুরনো দফতরে যান।

কিন্তু গিয়েই তাঁর চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়। ওই আধিকারিক দেখেন যে ওই অফিস কার্যত ফাঁকা। ঘরে কোনও আসবাবপত্র নেই। নথিপত্রও তেমন নেই, অল্প কিছুই পড়ে রয়েছে। এমনকি, দফতরের দরজা-জানলাও হাওয়া। তড়িঘড়ি স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করেন ওই আধিকারিক।

এমন অভিযোগ পেয়েই পুলিশ আটক করে চতুর্থ শ্রেণীর ওই কর্মী এম পিতাম্বরকে। পুলিশি জেরায় সে স্বীকার করে নেয় যে গত দু’বছর ধরে ম’দের টাকা জোগাড় করার জন্য সে অফিসের ৩৫টি আলমারি, ১০ সেট চেয়ার-টেবিল, দু’টি দরজা ও নানা নথিপত্র একে একে বিক্রি করে দিয়েছে। অভিযুক্ত ওই কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে খবর।

RELATED Articles