হাসপাতাল এমন ভাবে কেউই পছন্দ করেন না। সারাক্ষণ রোগ ও ওষুধ ইনজেকশনের গন্ধ কারও পছন্দ নয়। সুখে মানুষ কখনোই হাসপাতালে আসতে চান না। রোগ টেনে আনে হাসপাতালে। কিন্তু ঠিক বিয়ের আগেই যদি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় কাউকে তখন কি উপায়। যদি পাত্র বা পাত্রীর কেউ কঠিন রোগে আক্রান্ত হন, তবে কি বিয়ে ভেঙ্গে যাবে? নাকি হাতে হাত রেখে একসাথে থাকবেন তারা।
অমিত-সুচরিতার ঘটনাটা খানিকটা অন্যরকম। হাসপাতালে হয়ে উঠল বিয়ের মন্ডপ। হাসপাতালেই পুরোহিত ডেকে শাস্ত্রমতে বিয়ে করেন তারা। কিন্তু কেন হঠাৎ হাসপাতালে বিয়ে করতে হল? এমন কি হলো যে হাসপাতালকেই বিয়ের মন্ডপ বানিয়ে ফেলতে হল? বাধা পেরিয়ে বিয়ে করলেন অমিত সুচরিতা। কোন রোগ তাদের আটকাতে পারল না।
ভালোবাসার অনন্য নজির দেখা গেল দুর্গাপুরে। ভালোবাসার কাছে হার মানল কঠিন অসুখ। পূর্ণতা পেল দীর্ঘ আড়াই বছরের ভালোবাসা। তবে আর পাঁচটা বিয়ের মতো একেবারেই সাধারণ বিয়ে নয়। হাসপাতালের বেডে বসেই একে অপরের সঙ্গে বিয়ে করেন তারা।
ভালবাসার পূর্ণতা পেল দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। দিল্লির বাসিন্দা অমিত মুখোপাধ্যায় কর্মসূত্রে দুর্গাপুরে এসেছিলেন প্রায় আড়াই বছর আগে। তখনই তার এক বন্ধুর বান্ধবী সুচরিতা পাত্রের সঙ্গে দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারে আলাপ হয়েছিল। ধীরে ধীরে পরিচয় গাঢ় হয়। দুজনের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শনিবার, ২ মার্চ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা। ঘটনায় হাসপাতালে খুশির জোয়ার ।
বিয়ের একদিন আগে ছেলের পরিবারকে জানানো হয় পাত্রী সুচরিতা হেপাটাইটিসে (জন্ডিস) আক্রান্ত। গুরুতর অবস্থায় দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। এই সম্পর্কে বাধা হতে পারেনি রোগ। অমিত জানান, “সুচরিতাকেই বিয়ে করবেন।”
সেই কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে হাসপাতালের নির্দিষ্ট ওয়ার্ডেই শনিবার সন্ধ্যায় শাস্ত্র মতে পুরোহিতের উপস্থিতিতে বিয়ে করেন অমিত ও সুচরিতা৷ শত বাধা অতিক্রম করে তাদের দুজনের পাশাপাশি খুশি তাদের পরিবারও। এই অনন্য নজিরের সাধুবাদ জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!