বিশ্ব জুড়ে করোনা আতঙ্ক, মহামারীর কবল থেকে নিজেদের বাঁচাতে মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাই আসমুদ্র হিমাচল ব্যাপি মানুষ সমর্থন করছে লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম। ইতিমধ্যেই দেখা গেছে কলাকুশলীরা সময় কাটাচ্ছেন নিজেদের হবি গুলোকে আরও একটু ঘষে মেজে ঝাঁ চকচকে করে তোলার মধ্যে দিয়ে। লকডাউন এর মধ্যেও সমাজে দৃষ্টান্ত মূলক বদল যে মানুষেরা এনেছেন তাদের অস্তিত্ব যে চিরকাল বিরাজ করে এটি প্রমান করলেন প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী সৌমিতা সাহা।
অ্যামেরিকান সাহিত্যে কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে মায়া এঞ্জেলো ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।বর্ণবাদ বিরোধী মার্কিন কবি মায়া এঞ্জেলো ১৯২৮ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইস এলাকায় জন্ম গ্ৰহন করেন। মায়া এঞ্জেলো ছিলেন একাধারে কবি, নাট্যকার, নৃত্যশিল্পী, চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনেত্রী। ‘আই নো হোয়াই দ্য কেজড বার্ড সিংস’ (আমি জানি খাঁচার পাখি কেন গান গায়) এবং ‘অন দ্য পালস অব মর্নিং’ (ভোরের স্পন্দন) কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেন। ২০১৪ সালের ২৮ মে ৮৬ বছর বয়সে লোকান্তরিত হন আফ্রো-আমেরিকান এই কবি।
কবির জন্মদিন উপলক্ষে সৌমিতা সোশ্যাল মিডিয়া তে কবি কে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শিল্পকর্মের মাধ্যমে। মায়ার অনবদ্য পোর্ট্রেট এর সাথে মিলে মিশে যায় ডুডল, মা কবির কাব্য কে তুলে ধরে। সৌমিতা আন্তর্জাতিক সংগীতশিল্পী হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় স্তরে চিত্রকর হিসেবে ও অত্যন্ত সুপরিচিত।

শিল্পী আরও জানান “কবির সাবলীল মতাদর্শ ও পরিশীলিত রাজনৈতিক চিন্তা আমাকে প্রবল ভাবে অনুপ্রেরণা যোগায়। সাহিত্যজীবনের দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরে তিনি লিখেছেন অজস্র কবিতা, প্রবন্ধ ও স্মৃতিকথা। সব চেয়ে বেশী উল্লেখ্য কবির প্রাণ শক্তি, আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘আই নো হোয়াই দা কেইজড বার্ড সিঙস’ লিখে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক নিন্দিত হন, অথচ মায়া দমে যাননি। আজ একটা global crisis কে ফেস করে মনে পড়ে যায় মায়া এঞ্জেলোর লেখা কয়েকটি বিখ্যাত লাইন, if you don’t like something change it, if you can’t change your attitude, আমাদের কারোরই এই লকডাউন ভালো লাগছেনা, আনফরচুনেটলি আমাদের কিছু করার নেই, বাইরে মহামারী। তাই উই ক্যান চেঞ্জ আওয়ার অ্যাটিচিউড, আমরা লকডাউন কে সমর্থন করে করোনার মোকাবিলা করতে পারি।”
সৌমিতার এই আবেদন ও শিল্পীপের নৈপুণ্যে নেটিজেনদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।





