প্রেমিক বারবার অন্য মেয়ের দিকে তাকাতেন। তবে সেই কারণে যে এমন নির্মম শাস্তি পেতে হবে, তা হয়ত তিনি কল্পনা করতে পারেন নি। রাগের চোটে প্রেমিকের চোখে ইনজেকশন ঢুকিয়ে দিলেন প্রেমিকা। জলাতঙ্কের ওষুধ ঢুকে গেল ব্যক্তির চোখের মধ্যে। গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ওই ব্যক্তি।
কী ঘটেছে ঘটনাটি?
সূত্রের খবর, অভিযুক্ত মহিলার নাম স্যান্ড্রা জীমেনেজ। বয়স ৪৪ বছর। প্রেমিকের সঙ্গে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন তিনি। স্যান্ড্রার অভিযোগ, তাঁর প্রেমিক নাকি বারবার একাধিক মহিলার দিকে তাকান। আর সেই রাগ থেকেই মারাত্মক এমন নির্মম শাস্তি দেওয়ার পথ বেছে নেন স্যান্ড্রা। তবে তিনি এই গোটা ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন। স্যান্ড্রার আবার পাল্টা দাবী, তাঁর প্রেমিক নাকি ইচ্ছা করেই নিজের চোখে আঘাত করে তাঁকে দোষ দিচ্ছেন।
কেন এমন ঘটনা ঘটালেন প্রেমিকা?
জানা গিয়েছে, স্যান্ড্রার প্রেমিক গত শনিবার সোফায় শুয়ে ছিলেন। সেই সময় স্যান্ড্রা আচমকাই প্রেমিকের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাঁর হাতে জলাতঙ্কের ওষুধ ভরা ইনজেকশন ছিল। কুকুরের দেহে এই ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। সোফায় উঠেই প্রেমিকের ডান চোখের মণিতে ইনজেকশন ফুটিয়ে দেন স্যান্ড্রা। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় প্রেমিককে ফেলে রেখেই ঘর থেকে পালিয়ে যান তিনি।
খুবই জখম হব স্যান্ড্রার প্রেমিক। ওই ব্যক্তিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। সেও সময় বাড়ির বাইরে নিজের গাড়ির মধ্যেই ঘুমোচ্ছিলেন স্যান্ড্রা। তাঁকে তখনই গ্রেফতার করে পুলিশ।
তবে নিজের দিকে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন স্যান্ড্রা। তাঁর দাবী, তাঁর প্রেমিক নিজে থেকেই নিজের চোখে আঘাত করেছেন। আপাতত স্যান্ড্রা পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।





