মাছ খেতে বাধা? তাহলে এবার বানিয়ে ফেলুন মাছ ছাড়াই মাছের ঝোল, নিরামিষের দিনে জমে যাবে ভুরিভোজ, চেটেপুটে খাবে সবাই!

বাঙালি রান্নার প্রচলিত ঐতিহ্যের মধ্যে নিরামিষ রান্নাও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ঠাকুর বাড়ির একটি বিশেষ নিরামিষ মাছ, যা মাছ ছাড়াই তৈরি করা হয়। এই রেসিপির নাম মাছ ছাড়া মাছের ঝোল। জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন এই সুস্বাদু নিরামিষ পদ।

উপকরণ

সেদ্ধ সয়া চাঙ্ক, কাঁচা কলা, সেদ্ধ আলু, কাঁচা লঙ্কা, আদা-রসুন বাটা, ধনে গুঁড়ো, গরম মশলা, হলুদ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, নুন, লেবুর রস, তেল, সুজি, চাল গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, আলু, আদা বাটা, টমেটো, শুকনো লঙ্কা, গোটা জিরে।

রন্ধন প্রণালী

প্রথমে একটি ব্লেন্ডারে সেদ্ধ সয়া চাঙ্ক, আদা-রসুন বাটা ও কাঁচা লঙ্কা ব্লেন্ড করে নিতে হবে যতক্ষণ না এটি একসাথে মিশে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। এই মিশ্রণটি একটি প্লেটে তুলে রাখুন। এরপর কলা ও সেদ্ধ আলু নিয়ে সয়া খণ্ডের মিশ্রণে যোগ করুন। এবার এতে ধনে গুঁড়ো, গরম মশলা, হলুদ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো এবং নুন মিশিয়ে ভালো করে মেশান।

এই মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট অংশ নিয়ে মাছের গাদার পিসের মতো আকার দিন। প্রতিটি পিসের মাঝখানে একটি গর্ত করুন। এবার সুজি, চাল গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো এবং নুন একটি প্লেটে মিশিয়ে নিন। প্রতিটি পিসে তেল মেখে সুজির মিশ্রণ দিয়ে কোটিং করুন। একটি প্যানে তেল গরম করে কাটলেটগুলো আলতো করে ছেড়ে দিন। নাড়বেন না। এক দিক ভাজা হয়ে গেলে আলতো করে উল্টে দিন যাতে উভয় দিক সমানভাবে ভাজা হয়। সোনালি করে ভাজা হয়ে গেলে তুলে রাখুন।

এরপর কড়াইয়ে আবার তেল গরম করে শুকনো লঙ্কা ও গোটা জিরে ফোড়ন দিন। আলু যোগ করে একটু নাড়ুন। এরপর টমেটো যোগ করে একটু ভাজুন। এবার আদা বাটা, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো ও নুন দিয়ে কষিয়ে নিন। তারপর পরিমাণ মতো জল যোগ করে ফুটতে দিন। ঝোল ঘন হয়ে এলে ভেজে রাখা কলার মাছগুলো দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নামিয়ে নিন। তাহলেই তৈরি মাছ ছাড়া মাছের ঝোল। ঠাকুর বাড়ির স্পেশাল মাছ ছাড়া মাছের ঝোল বাড়ির সকলের সাথে জমিয়ে উপভোগ করুন।

RELATED Articles