ইস্ট বেঙ্গল এবার ঝাপালো আই লিগের ট্রাউ এফসি-র মিডফিল্ডার (TRAU FC) ওয়াহেংবাম আঙ্গোসানা লুয়াং এবং আইএসএল-র ক্লাব জামশেদপুর এফসি এর হয়ে খেলা ঘরের ছেলে বিকাশ জাইরুকে তাদের দলে নিতে। এদের মধ্যে প্রথমজন মিডফিল্ডার এবং পরের জন লেফ্ট উইং কিংবা লেফ্ট ব্যাক-এ খেলেন। এদের দুইজনেরই ফুটবল ক্যারিয়ার খুবই উজ্জ্বল। এর মধ্যে বিকাশ জাইরু একসময় ইস্টবেঙ্গলেরই ফুটবলার ছিলেন।
সূত্রের খবর, অ্যাঙ্গোসানা ইতিমধ্যেই লাল-হলুদ দলের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এখন কেবল আনুস্ঠানিক সই করার অপেক্ষা। অন্যদিকে বিকাশ জাইরু-র সাথে ক্লাবের কথা চলছে, সবঠিক থাকলে তিনিও শীঘ্রই ইস্ট বেঙ্গল-এর সাথে চুক্তি বদ্ধ হবেন।
অ্যাঙ্গোসানা তার পেশাদারী ফুটবল জীবন শুরু করেছিলেন ট্রাউ এফসিতে। গত বছরে আই-লিগের দ্বিতীয় বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে ট্রাউ এফ সি-কে তুলে আনতে এই মিডফিল্ডার মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। ২৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার এবারের আই লিগ-এ টানা ১৭ টি ম্যাচ খেলেছেন। এই তরুণ ফুটবলারের ফুটবল দক্ষতার জন্য আই লিগের বেশ কিছু ম্যাচে তাঁকে ‘টিম অফ দি উইক’ এর শিরোপা দেওয়া হয়।
এদিকে বিকাশ জাইরু ২০১৫ সালে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচে তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলেছিলেন ভারতীয় দলের হয়ে। তিনি এখনো অবধি জাতীয় দলের হয়ে সাতটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ-এ খেলেছেন। তবে গত তিন বছর ধরে তিনি জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন।
বিকাশ জাইরু ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল দলের হয়েই খেলেছেন। আই লিগ, ফেডারেশন কাপ এবং সুপার কাপ নিয়ে মোট ২১ টি ম্যাচ তিনি খেলেছেন। এই সময়ে, তিনি দলের হয়ে পাঁচটি গোল করেছিলেন।
রাঙ্গদাজিড ইউনাইটেড এবং মুম্বই টাইগারদের হয়ে খেলার পরে, জাইরু ২০১৩ সালে সালগাওকারের হয়ে আই-লিগে খেলা শুরু করেছিলেন। তার দুই বছরের সময়কালে ২৮ ম্যাচে ৬ টি গোল করেছেন। লাল-হলুদের সাথে থাকাকালীনই তিনি আইএসএলের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষে যথাক্রমে এফসি পুনে সিটি (FC Pune City) এবং এটিকে (ATK)-র হয়ে খেলেছিলেন।
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর তিনি আই এস এল-এর ক্লাব জামসেদপুর এফসির সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। তিনি এরপর আইএসএল এর টানা তিন বর্ষে ৩৫ টি ম্যাচে খেলেছেন যাতে তিনি ১টি গোল এবং দুটি গোলে সহায়তা করেছেন।
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের এই পদক্ষেপে বিকাশ জাইরু আবার তার পুরনো টিমে ফিরতে চলেছেন। প্রসঙ্গত, জাইরু লাল হলুদ দলের সাথে যুক্ত থাকাকালীনই প্রথম জাতীয় দলের হয়ে সুযোগ পেয়েছিলেন।






