রাত পোহালেই শহরে মরশুমের প্রথম বড় ম্যাচ। কিন্তু কলকাতার এই ডার্বি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। রাজ্যের বর্তমান যা পরিস্থিতি, সেদিকে নজর রেখে পিছিয়ে যেতে পারে ডুরান্ড কাপ, এমনটাই খবর খবর। প্রশাসনের সঙ্গে ডুরান্ড কমিটির বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় রাজ্য তথা গোটা দেশজুড়ে চলছে বিক্ষোভ, আন্দোলন। দিকে দিকে গড়ে উঠেছে প্রতিবাদের ভাষা। রাস্তায় নেমেছে সাধারণ মানুষ। সকলের একটাই দাবী, দোষীদের শাস্তি হোক। এই প্রতিবাদের ছায়া পড়তে পারে কলকাতার ডার্বির উপরেও। সেই কারণেই এবার অনিশ্চিত ডার্বি।
সূত্রের খবর, দুই দলের সমর্থকদের একাংশ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে কলকাতার ডার্বিতে আর জি করের ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে। সেই কারণে বানানো হচ্ছে ব্যানার, স্লোগান লেখা জার্সিও তৈরি করা হচ্ছে। দুই দলের সমর্থকরাই গ্যালারি থেকে প্রতিবাদ জানাবেন বলে খবর। সেই কারণে বিশৃঙ্খলার ভয়ে ডার্বি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে ডার্বি পিছিয়ে যাওয়ার আরও কারণও অবশ্য রয়েছে। কলকাতার ডার্বি মানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা। বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করতে হয় মাঠের চারপাশে। আর এখন কলকাতায় নানান জায়গায় চলছে মিছিল, ধর্না। ফলে সেখানে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। আবার আর জি করে নিরাপত্তার জেরে দ্বিগুণ পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ফলে ডার্বির জন্য আবার বেশি পুলিশ মোতায়েন করাটা বেশ মুশকিল এই মুহূর্তে। সেই কারণেও স্থগিত রাখা হতে পারে ডার্বি।
আবার অন্য একটি সূত্র জানাচ্ছে, ডার্বি যদি স্থগিত না-ও হয়, তাহলে ব্যানারের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি করা হতে পারে। যদিও অন্য পরিকল্পনাও রয়েছে সমর্থকদের। অনেক ফ্যান ক্লাবের তরফে জানানো হয়েছে, যদি ব্যানার নিয়ে তাদের গ্যালারিতে না ঢুকতে দেওয়া হয়, তাহলে তারা স্লোগান দেবেন। সমর্থকদের মতে, ব্যানার আটকানো যাবে, গলার স্বর তো আটকানো যাবে না। স্লোগান দেওয়া পোশাক পড়লে তো আর পোশাক খুলতে পারবে না। এভাবেই প্রতিবাদ জানাবেন তারা।





