গতকাল, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেয় ঘটে এক ঘটনা। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন ভাঙড়ের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আরাবুল ইসলাম। খু’ন থেকে শুরু করে তোলাবাজি, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, ভাঙচুর এমন নানান অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এবার তাঁর সেই গ্রেফতারি নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।
কী বলেছেন আইএসএফ বিধায়ক?
পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা ও আইএসএফ কর্মীকে খু’নের অভিযোগ উঠেছে আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধে। নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, “ভাঙরে যত হিংসার ঘটনা ঘটেছে তার নেতৃত্বে ছিল আরাবুল। আইএসএফ কর্মীকে খু’ন করেছে সে। কিন্তু আরাবুলের চেয়েও সবচেয়ে বেশি অপরাধী যে সেই শওকত মোল্লাকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল”।
নওশাদের সংযোজন, “আমার সঙ্গে আরাবুলের ব্যক্তিগত কোনও সংঘাত নেই। গণতন্ত্রকে যারা হ’ত্যা করে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলি। আর আরাবুলের মতো লোকজন গণতন্ত্রের হ’ত্যাকারী”।
আইএসএফ বিধায়ক আরও বলেন, “আমাদের দলের এক কর্মীকে খু’ন করেছিল। আমরা আদালতে মামলা করেছিলাম। যদিও সিবিআই তদন্ত চাইলে কোর্ট তার অনুমতি দেয়নি। শুনেছি আদালতে সেই মামলা চলছিল। কোর্টকে কী জবাব দেবে তাই হয়ত গ্রেফতার করেছে”।
শওকত মোল্লাকেও গ্রেফতারির দাবী নওশাদের
এদিন পূর্ব ক্যানিংয়ের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে আকেমন শানান নওশাদ সিদ্দিকি। বলেন, “আরাবুলকে গ্রেফতার করা হলেও আসল অভিযুক্ত কিন্তু শওকত মোল্লা। ভাঙড়ে যত হিংসার ঘটনা ঘটেছে তার নেতৃত্ব দিয়েছে শওকত। আমরা চাই শওকতকে গ্রেফতার করা হোক। আরাবুলের এখন ক্ষমতা কমেছে, তাই দল ছেঁটে ফেলছে। আরাবুল তো দুধেল গাই ছিল, এখন দুধ দিতে পারছে না তাই গ্রেফতার করেছে। শওকত মোল্লাকে গ্রেফতার না করলে আমরা উচ্চ আদালতে যাব”।
কী অভিযোগ ছিল আরাবুলের বিরুদ্ধে?
পঞ্চায়েত ভোটের সময় দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছিল ভাঙড়। সেই সময় প্রায় প্রতিদিনই সেখানে চলত গু’লির বর্ষণ, বো’মা’বা’জি। তৃণমূল ও আইএসএফের সংঘর্ষে মৃ’ত্যু হয়েছে একাধিক আইএসএফ কর্মীর। এদের মধ্যে একজন ছিলেন মইনুদ্দিন মোল্লা। তাঁর খু’নের ঘটনায় নাম জড়ায় আরাবুল ইসলামের। এছাড়াও, তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, ভাঙচুর, এমন নানান অভিযোগ রয়েছে আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধে।






