লোকসভা নির্বাচনের আগে গতকাল, বৃহস্পতিবার বাজেট পেশ করেছে রাজ্য সরকার। সেখানে নানান ঘোষণা করেছে মমতা সরকার। এসবের মধ্যে একটি ঘোষণা ছিল আবাস যোজনা নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন আবাস যোজনায় বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্র সরকারকে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে টাকা না এলে, রাজ্যই ব্যবস্থা করবে বলে জানান তিনি। এবার সেই ঘোষণার প্রেক্ষিতেই মোদী সরকারকে খোঁচা দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন বাজেট ঘোষণার ভাষণে অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “আবাস যোজনার টাকার জন্য আর এক মাস অপেক্ষা করব। তার পরও কেন্দ্র সরকার টাকা না দিলে রাজ্য সরকার এই বিষয়টি বিবেচনা করবে”।
এই একই কথা শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। তিনি বলেন, “১১ লক্ষ বাড়ির আবেদন আগেই এসেছিল। পরে ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’তে আরও তিন-চার লক্ষ প্রস্তাব এসেছে। সেগুলিও আমরা আস্তে আস্তে দেখে নেব”।
শুধু আবাস যোজনাই নয়, এদিন মনরেগা প্রকল্প নিয়েও বাজেটে ঘোষণা করা হয় মমতা সরকারের তরফে। ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়েও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ করেছে তৃণমূল। এবার বাজেটে এই ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের পাল্টা প্রকল্প ঘোষণা করল মমতা সরকার। নাম ‘কর্মশ্রী’। এই প্রকল্পে জবকার্ড হোল্ডাররা বছরে ৫০ দিন নিশ্চিতভাবে কাজ পাবেন। এই প্রকল্পের জন্য ৩৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।
এই বাজেট ঘোষণার ভূয়সী প্রশংসা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “রাজ্যের মা, বোন ও গরিবদের হাত শক্ত করে স্বনির্ভর বাংলার পথে এগিয়ে চলেছি আমরা। বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডারের তহবিল বৃদ্ধি থেকে কর্মশ্রী চালু, সকলের উন্নতিকে নিশ্চিত করবে”।
আবাস যোজনা ও মনরেগা প্রকল্প কেন্দ্রের এই দুই প্রকল্পের ক্ষেত্রেই আত্মনির্ভরতার দিকে এগোচ্ছে বলে বক্তব্য অভিষেকের। আর এই নিয়ে মোদী সরকারকে খোঁচা দিতেও পিছপা হলেন না তিনি। বলেই দেন, “স্বনির্ভর হওয়ার পথে হাঁটছে বাংলা। ডবলের চেয়ে সিঙ্গল ইঞ্জিন সরকার অনেক বেশি শক্তিশালী”।





