ক্লাস চলাকালীনই স্কুলে ঘটে গেল এক অনভিপ্রেত ঘটনা। স্কুলে ঢুকে এক শিক্ষিকার উপর হামলা করে দুষ্কৃতীরা। কোপানো হয় শিক্ষিকাকে। অভিযোগের কাঠগড়ায় ওই শিক্ষিকার প্রথম স্বামীর পরিবার।
কী ঘটেছে ঘটনাটি?
এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে। হামলা হওয়া শিক্ষিকার নাম রত্না খাতুন। জানা গিয়েছে, অন্যান্যদিনের মতোই এদিনও স্কুলে ক্লাস নিচ্ছিলেন রত্না। সেই সময় আচমকাই স্কুলের ভিতর ঢুকে আসে কয়েকজন যুবক। তাদের মুখে কালো কাপড় বাঁধা ছিল। তারা সকলে মিলে রত্নাদেবীর উপর চড়াও হয়।
নিজেকে বাঁচাতে স্কুলের শৌচাগারের মধ্যে লুকিয়ে পড়েন রত্নাদেবী। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। সেখানে গিয়েই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় রত্নাদেবীকে। তাঁর হাতে, পায়ে, মুখে, পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। তাঁর চিৎকার শুনে অন্যান্য শিক্ষিকা ও কর্মীরা ছুটে আসেন। তারা দেখেন, রত্নাদেবী শৌচাগারের মেঝেতে পড়ে গোঙাচ্ছেন। তাঁকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
কেন ঘটল এমন ঘটনা?
রত্নাদেবী ওই স্কুলের পার্শ্বশিক্ষিকা। কিছু বছর আগেই তাঁর প্রথম স্বামী গোলাম ইয়াসদানির মৃত্যু হয়েছে। তাদের এক সন্তান রয়েছে। এরপর আবদুল জলিলকে বিয়ে করেন রত্নাদেবী। তবে তাঁর প্রথম স্বামীর পরিবারের সম্পত্তির উপর কিছুটা অধিকার রয়েছে তাঁর ও তাঁর সন্তানের।
অনুমান, সেই জমি সম্পত্তি নিয়েই গণ্ডগোলের জেরে এই হামলা করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবী, জমি নিয়ে বিবাদের জেরেই এই হামলা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয় স্থানীয় তৃণমূলের তরফে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের নেতৃত্বের তরফে এই ঘটনার পুর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে। রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাফাইয়েল মাড্ডি বলেন, “আজ আমি স্কুলে যায়নি। তবে শুনেছি। খোঁজ নিচ্ছি”।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!