দিদি নাম্বার ওয়ানে (Didi No. 1) বাংলার দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবারের সন্ধ্যায় দিদি নাম্বারে ওয়ানের এই এপিসোড দেখার অপেক্ষায় ছিল রাজ্যবাসী। দিদি নম্বর ওয়ানের (Didi No. 1) রবিবার, ৩ রা মার্চের পর্বে খেলতে এসেছিলেন ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরুন্ধতী হোম চৌধুরী। তাঁদের সঙ্গে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের অনুষ্ঠানের সূচনা হয় দুর্গা স্তুতি দিয়ে। তারপর হয় রাজ্য সঙ্গীত। দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আঁকেন, নাচ করেন, কবিতা পাঠ করেন। এমনকি একেবারে গোল রুটি বেলে দর্শকদের অবাক করে দেন।
দিদি নম্বর ওয়ানে এসে তিনি জানান ফোন তার সর্বক্ষণের সঙ্গী। মাঝে মধ্যেই ফোন থেকে নানা খবর দেখে নেন। দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে ফোন তার নিত্যদিনের সঙ্গী। এদিন দিদি নম্বর ওয়ানে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জীবন থেকে শুরু করে কাজ, ছোটবেলা, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে নানা কথা বলেছেন। রাজনীতির নেপথ্যে কাহিনি শোনাতেও ভোলেননি তিনি। গল্পের মাঝেই রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে জিজ্ঞেস করেন “আপনি একটা দিন ফোন ছাড়া থাকতে পারবেন”? এই প্রশ্নের উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ফোন নাকি তাঁর সবসময়ের সঙ্গী। ওটা না থাকলে নাকি তিনি পাগলই হয়ে যাবেন। অন্য আরও অনেকের মত ফোনের আসক্তি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “না, ফোনকে কাছছাড়া করি না। ফোন থাকা না মানে দুনিয়ার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাব। কিছুই জানতে পারব না। ওতে আমি পাগল হয়ে যাব। আমি রাস্তায় চলতে চলতে, সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে, কাজের ফাঁকে একটু করে ফোন দেখে নিই”।
এই ফোনে যেমন বহু খবর তিনি দেখতে পান দেখতে পান বহু ট্রোলিং এর খবরও। এখনকার সোশ্যাল মিডিয়ায় সবকিছু নিয়েই কটাক্ষ শুরু হয়ে যায়। যখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে নিয়ে তো কথা হবেই। দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “তুমি হাজারটা ভালো কাজ করো, কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু কোথাও যদি কখনও কিছু ভুল বলে ফেলি সবাই ওটা নিয়েই শুরু হয়ে যাবে। ছিঁড়ে ফেলবে একেবারে”।
তারপর ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “সব জায়গায় ভালো মানুষ আছে। সবাই খারাপ হয় না। ভালো মন্দ মিশিয়ে তো সব। ভালোটা নিতে হবে। মানুষ ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকব। কিন্তু মানুষ আজকাল যে ভাষায় কুৎসা করে সেটা আমাদের সংস্কৃতি নয়। এতে আমাদের সংস্কৃতিকে আঘাত করা হয়। আমরা বাকিদের থেকে তাঁদের ভালোটা নেব। কিন্তু নিজেদের যে সংস্কৃতি আছে সেটা নষ্ট করব না”।





