রাজস্থানের বালির উপর নয়, এবার লাল মাটির দেশেই দেখা মিলল উটের, বাড়ছে মানুষের ভিড় ও সেলফি তোলার হিড়িক 

শীতের দাপটে কেঁপেছিল বীরভূম। এবার ঠিক তেমনই, গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহের নাজেহাল হতে হবে বীরভূমবাসীকে।‌ আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে খবর মিলেছিল এই বছর তাপমাত্রা বেরোবে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঠিক সেই মতোই এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই ৪০ ছুঁয়েছে তাপমাত্রা। তীব্র দাবদাহ, গরমে নাজেহাল হতে হয়েছে সকলকে।‌ রাত থেকে ভোরের দিকটা আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও বেলা বাড়তেই চড়ছে পারদ। আর তাতেই না বেহাল অবস্থা। ‌

রাজস্থানের গরমে আমরা সাধারণত উট (Camel) দেখে অভ্যস্ত থাকি। রাজস্থানের তীব্র গরম বালিয়াড়ির মধ্যে উট চলে। এবার এই গরমের দিনে উটের (Camel) দেখা মিলল বীরভূমের রাস্তায়। তবে কি রাজস্থানের পরম পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের এই জেলায়। তাহলে ব্যাপারটা কি? বীরভূমের তীব্র তাপপ্রবাহের মাঝে দেখা মিলল উটের। আবার উটের সাওয়ারিও মিলছে রাজস্থানের মত।

হ্যাঁ ঠিকই পড়ছেন, এবার বীরভূমের লাল মাটির শহরে উট (Camel) চলেছে মুখটি তুলে। বোলপুর শান্তিনিকেতন থেকে আহমদপুর যাওয়ার রাস্তায় এই উটটিকে দেখতে পান বীরভূম এলাকার মানুষজন। আর এই উট দেখতে ভিড় জমান কচিকাঁচা থেকে শুরু করে বীরভূমের স্থানীয় মানুষেরা। স্থানীয়রা ঠাট্টা করে বলছেন বোলপুরের গরমেই দেখা মিলছে উটের (Camel)। আবার কাউকে বলতে শোনা যাচ্ছে, “মরুভূমির সবই ছিল। শুধু উট বাকি ছিল। সেটাও এবার চলে এল। গরমের ষোলো কলা পূর্ণ হল।”

হঠাৎ কোথা থেকে এল রাজস্থানে বসবাসকারী এই প্রাণী (Camel)?

উট (Camel) নিয়ে যিনি এসেছিলেন তিনি জানিয়েছেন, তিনি বেনারস থেকে পায়ে হেঁটে এসেছেন এই পথ। উটটি তিনি কিনেছিলেন রাজস্থান থেকে। রাজস্থান থেকে বেনারস আসতে তবে সময় লেগেছিল ৪৫ দিনের মতো। সেখান থেকে সমস্ত রাস্তা পেরিয়ে উট নিয়ে তিনি পৌঁছেছেন বীরভূমে। ‌ তারা আসতে সময় লেগেছে প্রায় পাঁচ মাসের কাছাকাছি।

বীরভূম জেলার বোলপুর এলাকায় উটকে (Camel) দেখে শুরু হয় হুড়োহুড়ি। ঘরের বাইরে এই উট দেখতে পেয়ে বেজায় খুশি স্থানীয়রা। ‌ লম্বা লাইন করে চলছে উটের সাথে সেলফি তোলার ধুম।‌ তবে অনেকেই ঠাট্টার সুরে বলছেন উটের সঙ্গে ছবি তুলে গরমকে মোকাবিলা করবেন তারা। ‌

RELATED Articles