‘শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে টাকা চাইলে হবে না। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করুক রাজ্য।’ বক্তা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
প্রসঙ্গত, নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্রের কাছ থেকে ঠিকমতো সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। কিট আসছে না। তারই জবাবে এই বক্তব্য দিলীপ ঘোষের।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘রাজ্য সরকার বিভিন্ন সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবকে আর্থিক অনুদান দিয়েছে। এখন দুর্দিনে সেই ক্লাবগুলো করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে আসুক। অনুদানের টাকা মানুষের সেবায় ব্যবহার করা হোক।’
সাথে তাঁর সংযোজন, ‘সিভিক ভলেন্টিয়াদের দিয়ে শুধু লাঠিচার্জ করে কিছু হবে না। রাজ্যের বহু ছেলেমেয়ে কর্মসূত্রে বা পড়াশোনার জন্য ভিন রাজ্যে বা বিদেশে রয়েছেন। ফলে বাড়িতে অনেকক্ষেত্রেই তাঁদের বৃদ্ধ বাবা-মা একা রয়েছেন। তাঁদের কাছে খাবার, ওষুধ সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজে সিভিক ভলেন্টিয়াদের ব্যবহার করা হোক।’
প্রসঙ্গত, এখন ভারতে করোনার তৃতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ বা সামাজিক সংক্রমণ রুখতে ১৪ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত গোটা দেশে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। নিজের ও পরিবারের সুস্থতার জন্য এই সময় সবাইকে বাড়িতে থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই সময়ে মানুষের কাছে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যগুলি পৌঁছে দেওয়াই প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যার সমাধান খুঁজতে ইতিমধ্যেই ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার কর্তাদের সঙ্গে বাড়িতে বৈঠকও করেছেন দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে দেশে এখন আক্রান্তের সংখ্যা ৬০০ পেরিয়েছে। মৃত ১৬।





