Dilip Ghosh attacked Mamata Banerjee: নিজের চেনা পরিচিত কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন নি। কিন্তু তাতে কীই বা যায় আসে? নিজের কেন্দ্রে প্রচারে কিন্তু কোনও খামতি রাখছেন না তিনি। বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ প্রচারে বেরিয়ে এর আগেও নানান মন্তব্য করেছেন যার কারণে তাঁকে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু নিজের ভূমিকা থেকে সরে আসেন নি তিনি। কমিশনের শোকজ করা সত্ত্বেও নানান বিতর্কিত মন্তব্য করেই গিয়েছেন। এবারও ফের একবার একহাত নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Dilip Ghosh attacked Mamata Banerjee)।
আজ, বুধবার দুর্গাপুরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের এবিএস অ্যাকাডেমির মাঠে প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানান তিনি (Dilip Ghosh attacked Mamata Banerjee)। তাঁর কথায়, এই রাজ্য সরকার নয়, আদালত চালাচ্ছে। কারণ গোটা ভারতে রামনবমী পালন করা হলেও পশ্চিমবঙ্গে এর অনুমতি নেই। অনুমতির জন্য ছুটতে হয় আদালতে।
সম্প্রতি এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নানান বিষয়ে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সাক্ষাৎকারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে আশা, সবই বলতে শোনা যায় তাঁকে। শুধু তাই-ই নয়, এদিনের সাক্ষাৎকারে ইডি-সিবিআইয়ের তৎপরতা নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা।
তাঁর বাড়িতে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশি যদি হয়, সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মমতা বলেন, “আমার কাছে বাড়িও যা, জেলও তাই। জেলে গেলে একটু বিশ্রাম পাবো”। তাঁর সেই মন্তব্যের রেশ টেনেই এদিন মমতাকে শানিয়ে দিলীপ (Dilip Ghosh attacked Mamata Banerjee) বললেন, “এই সুযোগও ওনার কাছে আসবে। ওটাই বৃদ্ধাশ্রম হবে। ওখানেই বাকি জীবন কাটাতে হবে”।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে আলিপুরদুয়ারে মমতার কনভয় দেখে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া না দিলেও, গতকাল, মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির এক সভা থেকে এই বিষয়ে মমতা বলেন, “এত বড় সাহস, আমার গাড়িকে দেখে বলছে চোর-চোর-চোর! সুযোগ থাকলে জিভটা আমি কেটে নিতাম। ইলেকশন বলে কিছু বলিনি। ইলেকশন না-থাকলেও আমি জিভ টেনে নেওয়ার কথা বলব না।“
তাঁর সেই মন্তব্য নিয়েও মমতাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েন নি দিলীপ (Dilip Ghosh attacked Mamata Banerjee)। তাঁর কথায়, “সেদিন আপনার চলে গিয়েছে। আর কিছুই করতে পারবেন না। মানুষই এবার জুতো লাঠি, ছ্যাঁটা দেখাবে। ৪০-৪৫ বছর রাজনীতি করার পর চোর স্লোগান শোনার চেয়ে দুর্ভাগ্যের আর কী হতে পারে। শেষ জীবনে এটাও সহ্য করতে হবে”।





