হাজার হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের চাকরি বাতিল, স্কুল চলবে কী করে, ক্লাস কীভাবে হবে? বড় চিন্তায় রাজ্যের একাধিক স্কুল

Trouble in schools: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয়েছে ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষকও শিক্ষাকর্মীর। ২০১৬ সালের এসএসসি গোটা প্যানেল বাতিল করা হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির জেরে। আর এরপরই চিন্তা বেড়েছে নানান স্কুল ও অভিভাবক মহলে। এবার ক্লাস কীভাবে হবে, তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ (Trouble in schools)

২০১৬ সালে এসএসসির নিয়োগের ভিত্তিতে যেসমস্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা স্কুলে চাকরি পেয়েছিলেন, তাদের চাকরি এখন বাতিল। ফলে গরমের ছুটি শেষ হলেই স্কুলের কী অবস্থা হবে, তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ (Trouble in schools)। গোটা বছরের পরীক্ষা, মূল্যায়ন, ফলাফল সব বাংলার শিক্ষা পোর্টালে রয়েছে। আবার ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিকে নতুন নিয়ম চালু হওয়ায় কাজের চাপ বেড়েছে। এমন অবস্থায় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী যদি কমে যায়, তাহলে তা চিন্তার বিষয় তো বটেই (Trouble in schools)। এই ঘাটতি কীভাবে পূরণ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্কুল কর্তৃপক্ষদের মধ্যে।

এই বিষয় নিয়ে চিন্তিত মধ্যশিক্ষা পর্ষদও (Trouble in schools)। পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হবে। তাঁর কথায়, “স্কুলের পরিচালনা, পঠনপাঠন ইত্যাদি সব ব্যবস্থা দেখা, বোঝা, জানা পর্ষদের দায়িত্ব। ফলে, স্কুলগুলো কীভাবে চলছে এবং চলবে সেটার উপর আমায় নজর রাখতে হবে। তাই যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন রাখব। এবং নির্দোষ প্রার্থী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত যেন না হন, সেদিকে নজর রাখব”।

শিক্ষক সঙ্কট নিয়ে আদৌ কী হবে, তা ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছে না স্কুলগুলি (Trouble in schools)। যেসমস্ত স্কুলের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষকরা এই রায়ের আওতায় রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে তা আরও চিন্তার। এই বিষয়ে মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জ রাজা বিজয়সিং বিদ্যামন্দিরের ভারপ্রাপ্ত সহ-প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, “সাংঘাতিক প্রভাব পড়বে স্কুলের উপর। আমাদের সাতজন শিক্ষক এই নির্দেশের অধীনে আসছেন। তাঁদের মধ্যে একাদশ-দ্বাদশেরই তিনজন বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক। সংস্কৃতের শিক্ষক দিয়ে তো ফিজিক্স পড়ানো যাবে না। চালাব কী করে? আমরা দিশাহারা, অসহায় হয়ে যাচ্ছি” (Trouble in schools)। জানা গিয়েছে, এই স্কুলের ১৮০০ জন পড়ুয়ার জন্য শিক্ষক ছিল ৩৫ জন। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ের ফলে তা নেমে আসবে ২৯-এ।

আবার যাদবপুর বিদ্যাপীঠের একমাত্র কম্পিউটার সায়েন্সের শিক্ষকই এই রায়ের আওতায় রয়েছেন (Trouble in schools)। তা নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানাচ্ছেন, “একজন শিক্ষক চলে গেলে নিশ্চয়ই অসুবিধা হবে। তবে, উচ্চতর কর্তৃপক্ষ আমাদের যেমন নির্দেশ দেবেন, আমরা সেটা মেনেই চলব”।

RELATED Articles