মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাজ্যের মানুষ ‘আয়ুষ্মান ভারত’ থেকে বঞ্চিত, অভিযোগ স্বপন ও বাবুল সুপ্রিয়-র

স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, “গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ চিকিৎসক, নার্স, সাফাইকর্মী, প্যারামেডিক্যাল স্টাফ, আশা, আইসিডিএস-এর স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ৫০ লক্ষ টাকার জীবন বিমার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বলেছিলেন, জরুরি পরিষেবার সাথে যুক্ত কর্মীরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রোজ প্রচুর মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তাই এই কারণেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী শুধু রাজনীতি করার জন্য কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত বাংলায় হতে দিচ্ছেন না, ফলে কেন্দ্রের এই সুবিধা থেকে রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্মীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।” বিজেপি নেতার কথায়, মুখ্যমন্ত্রীই বলুন ১০ লক্ষ টাকা ৫০ লক্ষের থেকে কত কম তা তিনি বিবেচনা করুন।

প্রসঙ্গত, আয়ুষ্মান ভারত যে ক’টি রাজ্যে জারি হয়নি তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লি দুটি অন্যতম। লোকসভা ভোটের আগে ওই প্রকল্পের ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতোই সমালোচনায় মুখর ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

মমতার বক্তব্য ছিল, বাংলার স্বাস্থ্য বিমার প্রকল্প হুবহু কপি করেছেন কেন্দ্র। পাল্টা বক্তব্য এসেছিল, বাংলার প্রকল্পের পরিধি সীমিত, আয়ুষ্মান প্রকল্পের তুলনায় কম মানুষ এর সুবিধা পাচ্ছেন। সে যাক, দ্বিতীয়বার সরকার গঠনের পর কেজরিওয়াল সরকারও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প দিল্লিতে বলবৎ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু বাংলা তা হতে দেয়নি।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বলেন, “বাংলায় করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে মুখ্যমন্ত্রী নেতৃত্ব দিচ্ছেন, কিন্তু রাজ্যে অনেক মানুষেরই অসহায় অবস্থা। কিন্তু উনি জেনেও নিজের জেদ ছাড়বেন না। যেটা মনে করবেন সেটাই ঠিক। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা বাংলার মানুষ পেলে এ রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্মীরা সংকটময় পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন। আর যে কোনও শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষই একথা বুঝতে পারবেন। কিন্তু উনি কিছুই বোঝার মানুষ নন।”

RELATED Articles

Leave a Comment