রাজ্যের চিকিৎসকদের হোটেল, গেস্ট হাউসে রাখার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার নবান্ন থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেন মমতা। সেখানেই জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, “ডাক্তারদের কিন্তু ভাল হোটেল বা গেস্ট হাউসে রাখার ব্যবস্থা করুন। দেখবেন ওঁদের যেন কোনও অসুবিধা না হয়। ওঁরা যা কাজ করছেন আমার কৃতজ্ঞতা জানানোর কোনও ভাষা নেই।” জেলাশাসক ও স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “টাকাপয়সার ব্যাপারে কোনও কার্পণ্য করবেন না। ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের যা লাগে তাই দিন।”
রাজধানী দিল্লির দুটি বিখ্যাত হাসপাতাল লোকনায়ক হাসপাতাল এবং জিবি পন্থ হাসপাতালে যেসমস্ত চিকিৎসকরা ডিউটিতে রয়েছেন তাঁদের হোটেল ললিত-এ থাকার ব্যবস্থা করেছে কেজরিওয়াল সরকার। এই পাঁচতারা হোটেলে ১০০টি রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে যার সমস্ত খরচ দেবে দিল্লি সরকার।
অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের সরকারও চিকিৎসক-নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার ব্যবস্থা করেছে লখনউ শহরের হায়াত রিজেন্সি, লেমন ট্রি, দ্য পিকাডেলি এবং ম্যারিয়টের ফায়ারফিল্ড—-এই চারটি পাঁচতারা হোটেলে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী এদিন মেডিক্যাল কলেজগুলির সুপারদের বলেন, “দেখবেন, ডাক্তার-নার্সদের পেট যেন খালি না থাকে। সময়ে সময়ে তাঁরা যেন খাবার পান। মাথায় রাখবেন, পেট খালি থাকলে কিন্তু জীবাণু আগে অ্যাটাক করে।” উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের সুপারের থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানতে চান ব্রেকফাস্টে কী খেতে দেওয়া হচ্ছে? উত্তরে, রুটি-সবজি-মিষ্টি শুনেই মুখ্যমন্ত্রী চটে গিয়ে বলেন, “ডিম সেদ্ধ নেই কেন? সব হাসপাতালে ডিম সেদ্ধ কম্পালসারি করে দিন। ওতে প্রোটিন থাকে।” চিকিৎসকদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর আরোও পরামর্শ– “উষ্ণ গরম জলে পাতি লেবুর রস খান।” তাঁর কথায়, “করোনাভাইরাস কিন্তু আগে গলায় অ্যাটাক করে। উষ্ণ গরম জলে পাতি লেবুর রস খেলে গলাটা ক্লিয়ার হয়ে যাবে।”





