Abhishek Banerjee direction to TMC leaders after exit poll: গতকাল, শনিবার শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। এদিন ছিল লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফার ভোট। এদিন ভোট শেষ হতেই সন্ধ্যের সময় থেকে প্রকাশ্যে এসেছে এক্সিট পোল অর্থাৎ বুথ ফেরত সমীক্ষা। আর তাতেই বদলেছে রাজ্যে রাজনৈতিক সমীকরণ (Abhishek Banerjee direction to TMC leaders after exit poll)।
এনডিটিভি-জন কি বাত-র বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের মধ্যে বিজেপির ঝুলিতে যাবে ২১-২৬টি আসন। অন্যদিকে, তৃণমূল পেতে পারে ১৬-১৮টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে থাকার সম্ভাবনা ০-২টি আসন।
আবার টুডে’স চাণক্য-র এক্সিট পোল বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ৪২টি আসন এক্সিট পোল অনুসারে বিজেপি পাচ্ছে ২৪টি আসন এবং তৃণমূল ১৭টি আসন। কংগ্রেস পাচ্ছে ১টি আসন। বিজেপির আসন ৫টা কম বা ৫টা বেশিও হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। ৫টা আসন কমলেও ১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের থেকে একটি হলেও বেশি আসন পাবে বিজেপি কারণ আগের বার তাদের ঝুলিতে ছিল ১৮টি আসন। আর ৫টা বেশি হলে তো কথাই নেই।
বেশিরভাগ বুথ ফেরত সমীক্ষাই বাংলায় বিজেপিকেই এগিয়ে রেখেছে। আর তাতে তৃণমূল নেতারা যে বেশ বিপাকে তা বলাই বাহুল্য। এমন আবহে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নেতাকর্মীদের বার্তা দিলেন যাতে তারা এই এক্সিট পোল দেখে বিচলিত না হয়ে পড়েন (Abhishek Banerjee direction to TMC leaders after exit poll)।
অনেকের মতেই, এখন যদি তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিচলিত হন, তাহলে এর প্রভাব পড়বে ভোট গণনায়। তাতে মনোযোগ দিতে পারবেন না তারা। আর তৃণমূলের তরফেও প্রতি দফা ভোটের পর যে অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা করা হয়েছে, তাতে বিজেপি তৃণমূলের চেয়ে বেশি আসন পেতে পারে না বলেই দাবী। সেই কারণেই এবার দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee direction to TMC leaders after exit poll)। তাদের উদ্বুদ্ধ করতে আজ, রবিবার বিকেলে দলের জেলা ও ব্লক সভাপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠক করতে পারেন তিনি, এমনটাই জানা যাচ্ছে।
বলে রাখা ভালো, বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল থেকে জনমতের একটা আভাস পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এটাই যে চূড়ান্ত ফলাফল তা কিন্তু নয়। কখনও এমন দেখা গিয়েছে, বুথ ফেরত সমীক্ষার সঙ্গে ভোট গণনার ফলাফল মেলেই নি। ভোট শতাংশ থেকে আসন সংখ্যা বের করা বেশ জটিল প্রক্রিয়া।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলার ৪২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ২২, বিজেপি ১৮ এবং কংগ্রেস ২টি আসন পেয়েছিল। সেই বছর তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল শতকরা ৪৩.৭ শতাংশ। বিজেপি পেয়েছিল ৪০.৬ শতাংশ ভোট। ওই ভোটে বিজেপির শতকরা প্রায় ১৬ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি হয়েছিল। অন্যদিকে ১৬.৭২ শতাংশ ভোট কমেছিল বামেদের। বামেদের প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল শতকরা ৭.৫ শতাংশ। কংগ্রেসের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৫.৭ শতাংশ।





