গতকাল, ৪ জুন ছিল লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে দিন। এদিন রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তৃণমূল। একুশের বিধানসভা ভোটের পর ফের একবার বাংলায় ভরাডুবি হয়েছে গেরুয়া শিবিরের। রাজ্যজুড়ে সবুজ আবিরের খেলা। এদিন ফলাফল প্রকাশ হতেই শুরু ভোট পরবর্তী হিংসা।
রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকেই ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠে আসছে। কোথাও বিজেপি কার্যালয় ভাঙচুর, কোথাও বাড়িঘরে হামলা, এমন নানান অভিযোগ রয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা লোহার রড, বন্দুক নিয়ে হুমকি দিয়েছে বলে দবি বিজেপির।
এমন ঘটনা ঘটেছে মধ্যমগ্রামের নেতাজি পল্লিতে। বিজেপির অভিযোগ, তাদের কার্যালয়ের সাটারে লাগাতার লোহার রড দিয়ে মারতে থাকে একদল দুষ্কৃতী। মহিলাদের বন্দুকের নল ঠেকিয়ে হুমকি দেওয়া হয়। বিজেপি করার ‘অপরাধে’ কিল, চড়, ঘুষি মেরেছে ওই দুষ্কৃতীরা, এমনটাই অভিযোগ।
এক অভিযোগকারিণী বলেন, “রাত্রিবেলা এসে আমাদের বাড়িতে মেরেছে। ঘর ভেঙে দিয়েছে। একটুর জন্য আমার দাদা মারা যায়নি। ওকে ইট ছুড়ে মেরেছে। বিজেপি হেরে গিয়েছে সেই কারণে ওরা মেরেছে”।
ঘটনাস্থলে আসে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাহিনী চলে যাওয়ার পরও তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ, এমনটাই খবর।
তবে এই ঘটনায় দায় নিতে নারাজ তৃণমূল। তৃণমূল নেতা গোপাল রায়ের দাবী, বিজেপির লোকজন নিজেদের মধ্যে ঝামেলা করেই বাড়ি ভাঙচুর করেছে। এটা গোষ্ঠীকোন্দলের ফল বলে দাবী তাঁর। তিনি এও দাবী করেন, লোকসভা নির্বাচনের টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে আগে থেকেই ঝামেলা রয়েছে। তৃণমূলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।





