চাঞ্চল্যকর! রেখা পাত্রের প্রচারের জন্য কেন্দ্র থেকে পাঠানো ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে

BJP leaders were accused in embezzlement of money for Rekha Patra campaign: সদ্যই শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। বিজেপি বাংলা থেকে ৩০ট আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোলেও বিজেপির সেই জয়ের রথ থেমে গিয়েছে ১২-তেই। গতবারের থেকেও আসন কমে গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের। আর এই নিয়ে বিজেপির অন্দরে বেশ চর্চা শুরু হয়েছে। অনেক নেতাদেরই দাবী, দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও দুর্বল সংগঠনই দায়ী বিজেপির এই ভরাডুবির জন্য (BJP leaders were accused in embezzlement of money for Rekha Patra campaign)

এবারের নির্বাচনে বসিরহাট থেকে রেখা পাত্রকে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। রেখা পাত্র সন্দেশখালির অন্যতম প্রতিবাদী মুখ। তাঁকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে তুরুপের তাস করেছিল বিজেপি। রেখাকে উৎসাহিত করতে তাঁর সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলামের কাছে হেরে যান তিনি। আর তাঁর হারের পরই বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ (BJP leaders were accused in embezzlement of money for Rekha Patra campaign)

নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের প্রচারে খরচের জন্য কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ করা হয়েছিল কোটি কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের জন্যই এসেছিল ১২ কোটি টাকা। কিন্তু দলের একাংশের দাবী, সেই বরাদ্দ টাকা নাকি কোনও এলাকাতে পৌঁছয় নি। বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে আসা টাকার কানাকড়িও পান নি তারা। আর ফলস্বরূপ, বসিরহাটের বেশিরভাগ বুথেই এজেন্ট দিতে পারে নি গেরুয়া শিবি (BJP leaders were accused in embezzlement of money for Rekha Patra campaign)র।

দলের নিচুতলার কর্মীদের অভিযোগ, ভুয়ো এজেন্ট সাজিয়ে দলের একাংশ কেন্দ্র থেকে আসা টাকা আত্মসাৎ করেছে। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে মোট ৭টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। সূত্রের খবর, কেন্দ্র থেকে এই লোকসভা কেন্দ্রের জন্য যে ১২ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল, কথা ছিল সেই টাকা সাতটি কেন্দ্রে ভাগ হবে সমানভাবে। কিন্তু বেশিরভাগ আসনের বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, এই সবটাই কাগজে-কলমে হয়েছে (BJP leaders were accused in embezzlement of money for Rekha Patra campaign)। বাস্তবে সেই টাকা পান নি তারা।

অভিযোগ, এই টাকাটা দলের তিন-চারজন ভাগাভাগি করে নিয়েছে। আর তাদের থেকে টাকা চাইতে গেলে কর্মীদের কপালে জুটেছে হুমকি ও অপমান (BJP leaders were accused in embezzlement of money for Rekha Patra campaign)। শুধু তাই-ই নয়, প্রচারের জন্য ব্যবহার করা গাড়ি নিয়েও হয়েছে দুর্নীতি। প্রচারের জন্য গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিল দেখিয়ে টাকা তুলেছেন বসিরহাট নেতৃত্বদের একাংশ, এমনটাই অভিযোগ।

আর সবথেকে চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, এই সব কিছুই বঙ্গ বিজেপির বড় বড় নেতারা জানতেন কিন্তু তাও মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন তারা। অভিযোগ, এই টাকা আত্মসাতের বিষয়ে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন কলকাতা থেকে আসা কিছু নেতারাও (BJP leaders were accused in embezzlement of money for Rekha Patra campaign)। তাদের পকেটেও ঢুকেছে টাকা। রেখা পাত্রকে হারাতে দলের অন্য একটি গোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে বলেও অভিযোগ। আর এসবই দলের অন্তর্দ্বন্দ্বের ফল।

এই বিষয়ে বিজেপির বসিরহাট জেলা সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, টাকাপয়সার হিসাব এখনও হয়নি। হিসাব হলে বোঝা যাবে কোনও নয়ছয় হয়েছে কী না (BJP leaders were accused in embezzlement of money for Rekha Patra campaign)!  

RELATED Articles