অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুতের বিল বাড়াচ্ছে CESC, অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে বাড়তি বিল, ডেডলাইন দিয়ে দিলেন শুভেন্দু

Suvendu Adhikari raised voice for increasing bill of CESC: গরম পড়ার পর থেকেই শহরের মানুষের মুখে অভিযোগ দুটি। এক, শহরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট আর দুই সিইএসসি-র অস্বাভাবিক বিল। দিনের পর দিন বিলের মাত্রা যেন বেড়েই চলেছে। এবার এই নিয়ে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari raised voice for increasing bill of CESC)। তাঁর অভিযোগ, কোথাও দ্বিগুণ তো কোথাও আবার তিনগুণ ট্যারিফ বাড়ানো হচ্ছে বিদ্যুতের বিলের।  

আজ, বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে বেশ কিছু সিইএসসি-র বিল দেখিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ভোট চলাকালীন খুব চুপিসারে কলকাতায় বিদ্যুতের বিল বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এটি রাজ্য সরকারের রেগুলেটরি বোর্ডের অনুমোদন নিয়েই হয়েছে। সিইএসসি একচেটিয়া ব্যবসা করে। তারা ভোট চলাকালীন দ্বিগুণ তো বটেই, কোথাও কোথাও তিন গুণও ট্যারিফে সিলিং বদলে বিল বাড়িয়েছে” (Suvendu Adhikari raised voice for increasing bill of CESC)

শুভেন্দুর দাবী, যত দ্রুত সম্ভব রাজ্যের রেগুলেটরি বডিকে এই বাড়তি বিল প্রত্যাহার করে নিতে হবে (Suvendu Adhikari raised voice for increasing bill of CESC)। তিনি বলেন, “ট্যারিফ পরিবর্তন করায় সিইএসসি এলাকায় সাধারণ মানুষ সরাসরি সমস্যার মুখে পড়েছেন। মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত এবং যাঁরা ছোট ছোট দোকান চালিয়ে খুব সামান্য রোজগার করেন, তাঁদের উপর ভয়াবহ অর্থনৈতিক অবরোধ নামিয়ে আনা হয়েছে”।

এদিনের এই বৈঠকে নির্বাচনী বন্ডের ইস্যুতে সিইএসসি ও তৃণমূলকে একসঙ্গে শানান তিনি। বলেন, “সিইএসসি একটি বাণিজ্যিক সংস্থা। তাদের টাকা তুলতেই হবে। তারা হলদিয়া এনার্জির নামে তৃণমূলের ফান্ডে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ৪০০ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছে। যে সংস্থা তৃণমূলকে ৪০০ কোটি টাকা চাঁদা দেয়, তাকে ৮০০ কোটি টাকা জনগণের থেকে তুলতেই হবে, এটা ধ্রুব সত্য” (Suvendu Adhikari raised voice for increasing bill of CESC)

জানা গিয়েছে, বিজেপির তিন কাউন্সিলর, কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি-সহ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সিইএসসি-র কাছে নিজেদের দাবিদাওয়া পেশ করবেন। এর এক সপ্তাহ পরেও যদি কাজ না হয়, তাহলে কলকাতা-সহ শহরের নানান সিইএসসি এলাকায় অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুতের বিল বাড়ানোর প্রতিবাদে আগামী সপ্তাহে সিইএসসি-র অফিস অভিযান করবে গেরুয়া শিবির (Suvendu Adhikari raised voice for increasing bill of CESC)।   

এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “বিদ্যুতের দুটি ভাগ রয়েছে। একটি বেসরকারি সংস্থা সিইএসসি। অন্যটি রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ। বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস সাধারণ মানুষের যা চাহিদা তা পূরণও করছে এবং আবার আর্থিকভাবেও মানুষের পুরোদস্তুর পাশে থাকছে বিদ্যুৎ দফতর”।

তিনি বলেন, “সিইএসসিকেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে কড়া বার্তা দিচ্ছে বিদ্যুৎ দফতর। রাজ্য সরকার যা যা করার করছে। সিইএসসি বেসরকারি সংস্থা, ফলে যতটা সম্ভব, তাদের যা যা বার্তা দেওয়ার, তা রাজ্য সরকার দেয়। সিইএসসিরও উচিত সাধারণ মানুষের যদি কোথাও ক্ষোভ থাকে, সেগুলি খতিয়ে দেখা এবং মানুষের কাছে এর ব্যাখ্যা দেওয়া”।

RELATED Articles