এসএসকেএমের বেডে শুয়েও রেশন দুর্নীতির টাকার ভাগ নিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল ইডি

Jyotipriya Mallick Used to Take 10 Lakhs Every Month: রাজ্যে দুর্নীতির অন্ত নেই। যত্রতত্র দুর্নীতি বাংলায়। রেশন দুর্নীতির জেরে এই মুহূর্তে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এরই মধ্যে এই দুর্নীতিতে গ্রেফতার করা হয়েছে আনিসুর রহমান ও তাঁর ভাই আলিফ নুরকে। এরপরই এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল ইডি (Jyotipriya Mallick Used to Take 10 Lakhs Every Month)

গত বৃহস্পতিবার দিনভর জেরার পর মধ্যরাতে গ্রেফতার করা হয় দেগঙ্গার তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি আনিসুর রহমান ও তাঁর ভাই আলিফ নুরকে। এই দু’জন রেশন দুর্নীতিতে ধৃত বাকিবুর রহমানের মামাতো ভাই। এর ফলে বাকিবুরের মাধ্যমেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে এই দুই ভাই। জানা গিয়েছে, এই দুই ভাই নাকি ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র ‘মানি মেশিন’। এদের থেকেই অনেক টাকা গিয়েছে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর কাছে (Jyotipriya Mallick Used to Take 10 Lakhs Every Month)

গতকাল, শুক্রবার এই আনিসুর ও আলিফকে আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে একাধিক তথ্য দেয় ইডি। ইডি সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে নগদে টাকা পাঠাতেন এই দুই ভাই। নগদ ৯৪ লক্ষ টাকা পাঠানো হয়েছিল। এমনকি, আনিসুররা নিজেদের সংস্থার অ্যাকাউন্ট থেকে জ্যোতিপ্রিয়র সংস্থার অ্যাকাউন্টে ৭০ লক্ষ টাকা পাঠান বলে জানা যা (Jyotipriya Mallick Used to Take 10 Lakhs Every Month)য়।

শুধু তাই-ই নয়, এসএসকেএম হাসপাতালে শুয়ে থেকেই প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আনিসুর ওরফে বিদেশ ও আলিফ নূর ওরফে মুকুলকে প্রতি মাসে ১০ লক্ষ টাকা সুদ বাবদ জমা দিতে বলেছিলেন বলে জানা গিয়েছে ইডি সূত্রে (Jyotipriya Mallick Used to Take 10 Lakhs Every Month)

তদন্তকারীদের কথায়, এই আনিসুর ও আলিফ নিজের কোম্পানির কর্মী ও নিজেদের ভুয়ো চাষি সাজিয়ে সরকারি সহায়ক মূল্যের টাকা হাতাতেন। এভাবে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাতানো হয়েছিল। সেই টাকার একটা বড় অংশ গিয়েছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের তিনটি সংস্থার অ্যাকাউন্টে (Jyotipriya Mallick Used to Take 10 Lakhs Every Month)

ইডি আরও জানায়, জ্যোতিপ্রিয়র হিসেব রক্ষক শান্তনু ভট্টাচার্যের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেইসব ডিজিটাল প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। একটি ফোল্ডারে এই দুই ভাই আনিসুর ও আলিফের নাম উল্লেখ ছিল (Jyotipriya Mallick Used to Take 10 Lakhs Every Month)। ১০ লক্ষ টাকা করে সুদ দেওয়ার বিষয়টিও শান্তনুর থেকে পাওয়া নথিতেই মিলেছে বলে খবর।

ইডি তদন্তকারীদের অনুমান, যে টাকার লেনদেন হয়েছে, তা রেশন দুর্নীতির টাকা। এই বিষয়ে আনিসুর ও আলিফকে জেরা করলে আরও তথ্য মিলবে বলে নিশ্চিত তদন্তকারীরা। আনিসুর ও আলিফকে ২০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ১২ অগস্ট ফের আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। 

RELATED Articles