Accused of Lady Doctor Murder Case Admit His Crime: ৩৬ ঘণ্টা ধরে টানা ডিউটি। মাঝরাতে বিশ্রাম নিতেই সেমিনার হলে গিয়েছিলেন তরুণী চিকিৎসক। কিন্তু সেখানেই যে তাঁর সমস্ত স্বপ্ন এভাবে বিলীন হয়ে যাবে, তা হয়ত ভাবতেও পারেন নি তিনি। যৌ’ন নির্যাতন করে খুন করা হয়েছে ওই চিকিৎসককে। তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (Accused of Lady Doctor Murder Case Admit His Crime)। তবে অভিযুক্তের মধ্যে যেন ‘ডোন্ট কেয়ার’ ভাব। কোনও কিছুতেই যেন কিছুই যায় আসে না তার!
ওই অভিযুক্তের আসল পেশা কী, তা বারবার এড়িয়ে যাচ্ছে পুলিশ। সূত্রের খবর, পুলিশের আওতাধীন সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করত ওই যুবক (Accused of Lady Doctor Murder Case Admit His Crime)। আর জি করে যখন খুশি ঢুকত সে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আর জি করে ওত রাতে সেমিনার হলে ঢুকে গেল ওই যুবক, তাও কেউ কিছু বলল না কেন তাকে? নাকি এমনটাই চলছে এখন আর জি করে?
জানা গিয়েছে, রাত ১১টার সময় একবার হাসপাতালে এসেছিল অভিযুক্ত। তারপর বেরিয়ে মদ খেতে যায় সে। তারপর আবার ভোরবেলা প্রবেশ করে হাসপাতালে। এদিকে, জানা গিয়েছে তরুণী চিকিৎসক রাত তিনটে পর্যন্ত বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। তারপরই সম্ভবত এই কাণ্ড ঘটিয়েছে অভিযুক্ত।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাত ৩টে থেকে ভোর ৬টার মধ্যে খুন হয়েছেন তরুণী চিকিৎসক। শুক্রবার ভোরেই আর জি করে প্রবেশ করেছিল অভিযুক্ত। ৩০-৩৫ মিনিট ভেতরে ছিল। তারপর বেরিয়ে আসে। ধ্বস্তাধস্তির জেরে তার হেডফোনের তারের অংশ পড়ে গিয়েছিল সেমিনার হলে। তা থেকেই ওই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ।
অভিযুক্ত প্রথমে জানায়, সে নাকি রোগীদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে গিয়েছিল। সেই কারণে তদন্তকারীরা সোজা রোগীদের থেকে জিজ্ঞাসা করেন যে ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা আছে কি না বা চেনেন কি না। কিন্তু পুলিশ সূত্রে খবর, রোগীরা জানান এরকম কাউকে তাঁরা চেনেন না। ওই নামের কেউ তাঁদের কাছে আসেনি। তাতেই সন্দেহ বাড়ে পুলিশের। অভিযুক্তকে চেপে ধরতেই তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা ধরা পড়ে। এরপর গ্রেফতার করা হয় তাকে (Accused of Lady Doctor Murder Case Admit His Crime)।
তবে সূত্রের খবর, গ্রেফতার হওয়ার পরও কোনও অনুশোচনা নেই অভিযুক্তের মধ্যে। জেরার মুখে পড়ে দোষ স্বীকার করলেও মেজাজ সপ্তমে চড়িয়ে সে বলে, “ফাঁসি দিলে দিন” (Accused of Lady Doctor Murder Case Admit His Crime)। একেবারে ‘ডোন্ট কেয়ার’ মনোভাব তার মধ্যে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, ওই অভিযুক্ত জানল কী করে যে তরুণী চিকিৎসক সেমিনার হলে রয়েছেন? কেউ কী তাকে খবর দিয়েছিল? অভিযুক্তের হাসপাতালে অবাধে ঘোরাফেরা করা নিয়েও উঠছে বেজায় প্রশ্ন।





